https://www.a1news24.com
২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৪৭

মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে ভর্তি হতে লাগে ২০ টাকা। অথচ সরকারিভাবে নির্ধারিত ফি রয়েছে ৮ টাকা। কোন প্রকার রিসিট ছাড়াই রোগীদের কাছ থেকে টাকা গ্রহন করছেন জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ সরকারিভাবে নির্ধারিত কত টাকা এর কোন নির্ধারিত চাট সাটানো নেই। টাকা নিয়েও রিসিভ দিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক রোগীর স্বজনের আকুতি এর জন্য কি আন্দোলন সংগ্রাম করে ছাত্রদের জীবন দিতে হয়েছিলো। পূর্বে অনিয়ম দুর্নীতি ছিলো এখনও কি অনিয়ম দুর্নীতি চলবে। ভর্তি হতে জরুরি বিভাগে দিতে হয়েছে ২০ টাকা। দুঃখ নেই হাসপাতালে ভর্তি হতে সরকারিভাবে ২০ টাকা নির্ধারিত যদি হয়ে থাকে তবে রিসিভ দিবে না কেনো। কথাগুলো বললেন বারইখালী গ্রামের হুমায়ুন কবির খান কালো অভিযোগ করে বলেন, তার জামাতা ধানসাগর গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (২৬) নামের এক রোগীকে ভর্তি করাতে গেলে গেলে জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. রেজয়ানা মেহেজাবিন বর্নার উপস্থিতিতে সাব এ্যাসিট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মনিকা মল্লিক ওই রোগীর নিকট থেকে ২০ টাকা নিয়ে ভর্তি করেন। পরে ২০ টাকার রিসিভ চাওয়া হলে কর্তৃপক্ষ কোন রিসিভ দেয়নি।

এদিকে সকাল থেকে সরকারিভাবে ৩ টাকা টিকিট কেটে ডাক্তার দেখানোর পরে জরুরি বিভাগে ভর্তিকৃত রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ২০ টাকা। অথচ সরকারিভাবে ভর্তিকৃত রোগীদের ফি রয়েছে ৮ টাকা। অতিরিক্ত ১২ টাকা নিচ্ছেন রোগী প্রতি। এ নিয়ে গোটা হাসপাতালে হৈ চৈ পড়ে যায়।

ইতোপূর্বে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে যাওয়া একাধিক রোগীদের অভিযোগ রয়েছে উক্ত সাব এ্যাসিট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মনিকা মল্লিক ভর্তি রোগী ও কাটা ছেড়া রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাতে হাতিয়ে নিচ্ছেন টাকা। এ রকম একাধিকবার অভিযোগ উঠলেও কর্মকর্তা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।সাব এ্যাসিট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মনিকা মল্লিক বলেন, তিনি নির্ধারিত টাকার বাহিরে কোন টাকা নেয়নি।

এ সর্ম্পকে মোরেলগঞ্জ হাসপাতালের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান বলেন, জরুরি বিভাগে ভর্তিকৃত রোগীদের কাছ থেকে ২০ টাকা নেওয়া হয়। বাড়তি টাকা দিয়ে আউট সোর্সিং আয়াদের বেতন দিতে হয়।

এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, তার ছেলে অসুস্থতার কারনে ছুটিতে ঢাকায় রয়েছেন। জরুরি বিভাগে ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য নির্ধারিত ফি ৮ টাকা। নিয়ম বহির্ভুত অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলে সে বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরো..