https://www.a1news24.com
২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:০৭

পাইকগাছা-কয়রায় প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন–আমিরুল কাগজী

পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধিঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ করা হয় পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ও হরিঢালী ইউনিয়নের কপিলমুনি বাজার ও বিভিন্ন পূজা মন্দিরে। খুলনা-৬(কয়রা -পাইকগাছা) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) আমিরুল ইসলাম কাগজী এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে এই ৩১ দফা কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করেন। লিফলেট বিতরণ শেষে তিনি কপিলমুনি ও হরিঢালী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্ডব পরিদর্শন করেন।এই পরিদর্শনের সময় তার সহায়তায় চিকিৎসা পাওয়া রোগীরা তার সঙ্গে দেখা করেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী খুলনা-৬ (কয়রা – পাইকগাছা) থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। দক্ষিণ খুলনার এই কৃতি সন্তান নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছা কয়রার প্রচার প্রচারণা ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইতোমধ্যে তিনি কয়রা পাইকগাছার মানুষের কাছে সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি এলাকার অসহায়, গরিব, দুখী মানুষের জন্য বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে চলেছেন। ফ্রী স্বাস্থ্য ক্যাম্পের মাধ্যমে হাজারও রোগীকে সেবা দিয়ে নজির স্থাপন করেছেন। এলাকার এমন কোন কলেজ স্কুল মাদ্রাসা নেই যেখানে তার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নাই। পাইকগাছা কলেজে অনার্স কারিকুলাম সংযুক্ত করে পিছিয়ে পড়া এই এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছেন। স্কুল এবং মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য আমিরুল ইসলাম কাগজী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ স্থাপন করে তাদের শিক্ষা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিএড ডিগ্রি সম্পন্ন করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন।এলাকার মানুষের জন্য তিনি দিন রাত কাজ করে চলেছে। তিনি তরুণদের মতো ব্যাপক গতি নিয়ে কাজ করে চলেছেন । এমন একজন প্রাণচঞ্চল নেতাকে যদি এলাকার মানুষ এমপি হিসেবে পায় তাহলে পিছিয়ে পড়া উপকূলবাসীর জীবনমান আরো উন্নত হবে এমনটাই মনে করছেন অনেকেই।

এ প্রসঙ্গে আমিরুল ইসলাম কাগজী বলেন, প্রতি বছর আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের কারণে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় কয়রা ও পাইকগাছার হাজারো মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। ঘূর্ণিঝড় বা বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় রাস্তাঘাট, হাটবাজার, ফসলি জমি, বসতবাড়ি। এতে দীর্ঘদিন পানিবন্দি হয়ে থাকায় বাড়িঘর বা রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা হয়ে পড়ে। উপকূলবর্তী এ জনপদে সরকারি হাসপাতাল কিংবা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো অনেক দূরে দূরে অবস্থিত। আবার এর মধ্যে অনেক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় চিকিৎসক থাকলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই। হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের এমন বেহাল অবস্থা থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা দেখা দিলে উপকূলের মানুষ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারে না। বিভাগীয় শহর খুলনার আধুনিক ক্লিনিক হাসপাতাল থাকলেও সেখানে গিয়ে অতিরিক্ত খরচের কারণে তাদের পক্ষে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। সেই সব মানুষের জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ব্যানারে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প পরিচালনা করে আসছি। ঢাকা ও খুলনা থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করেছি। বিনামূল্যে ওষুধের ব্যবস্থা করেছি। কারও ঢাকা নেওয়ার প্রয়োজন হলে সে ব্যবস্থাও করেছি। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। যে কারণে এলাকার সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি আমার রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

 

আরো..