https://www.a1news24.com
২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৩৮

আঁকাবাকা রাস্তা নিজের জমি দান করে সোজা করায় বিপদে কৃষক

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃলালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের থানাপাড়া এলাকায় হামিদুল ইসলাম বেপারী নামে এক কৃষক এলাকারবাসীর মসজিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে নিজের ১৫ শতক জমি রাস্তার জন্য দান করায় প্রতিবেশী মামলায় বিপদে পড়েছেন।

হামিদুল ইসলাম বেপারী বলেন, ৩৫ বছর আগে রাস্তা আঁকাবাকা থাকায় এলাকারবাসীর অনুরোধে আমার নিজের ১৫ শতক জমি দান করে মসজিদে যাতায়াতের জন্য দান করি। এখন নবিবর নামে এক ব্যক্তি পূর্ব শত্রুতার জেরে রেকর্ডিও রাস্তা অনুযায়ী আঁকাবাকা রাস্তার জন্য মামলা দায়ের করে। মামলা করলেও গ্রামবাসী পাশে থাকায় রাস্তা আমাদের পক্ষে ২ বার রায় দেয়।

হামিদুল ইসলাম আরো বলেন, সোজা রাস্তায় টিআর, কাবিখা থেকে যত সরকারি বরাদ্দ সবি এই রাস্তায় করা হয়। এখন রাস্তা পাকাকরণ জন্য গ্রামবাসী গেলে নবিবর রহমান বাদী হয়ে মামলা করে।

৫ নং ওয়ার্ড থানাপাড়া এলাকার বকুল, মনির, রাজু, আমীরউদ্দিনসহ এলাকাবাসী বলেন, আমাদের মসজিদে যাতায়াতের জন্য আমরা হামিদুল ইসলামের এই সোজা রাস্তায় চাই, কেননা এই রাস্তা বন্ধ হলে আমরা গ্রামবাসী বিভক্ত হয়ে যাবো তখন অনেক সমস্যা দেখা দিবে গ্রামবাসীদের মধ্যে। আমরা চাই ৩৫ বছরের পুরানা রাস্তা যেন আগের থেকে আরো উন্নত ও পাকাকরণ যেন করা হয়। করিম উদ্দিনের ছেলে নবিবর রহমানের মিথ্যা মামলা যেন প্রত্যাহার করা হয় আর রাস্তা যেন এটাই থাকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, পুরাতন রাস্তাটি এস এ রেকর্ডে থাকলেও বাস্তবে কোন চিহ্ন নাই। নকশায় রাস্তাটি অত্যন্ত আঁকাবাকা। ৫০ মিটারের মধ্যে ৪ টি বাঁকা। এজন্য স্থানীয় জনগনের অনুরোধে কৃষক হামিদুল নিজ জমি দিয়ে রাস্তাটি সোজা করে দেয় এবং রেকডিও রাস্তার কিছু অংশের উপর বাড়ির একাংশ পরে। এভাবেই চলে যায় ৩৫ বছর। এখন রাস্তা পাকা করনের কাজ আসলে স্থানীয় নবিবর রহমান বাঁধ সাজে ও বাদি হয়ে হামিদুল ইসলাম ব্যাপারির নামে এডিএম কোর্টে মামলা করে।
এখন মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা যায়। হামিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দহগ্রাম ইউনিয়নের তসিলদার আনোয়ারুল ইসলাম মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বাদি নবিবর ইসলামের পক্ষে রিপোর্ট দেয়।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ বলেন, সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে এসেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরো..