https://www.a1news24.com
১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৪৭

যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হুমকি বন্ধ করলে পরমাণু সমঝোতায় রাজি থাকার ইঙ্গিত ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হুমকি বন্ধ করলে পরমাণু সমঝোতায় রাজি থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান।দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা চাইলে তেহরানের প্রতি সামরিক হুমকির প্রবণতা থামাতে হবে ওয়াশিংটনকে। সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প চিন্তা করতে হবে।

ইরান জানিয়েছে, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সোমবার রাতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন যে, শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‌‌‘পরোক্ষ’ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, একটি চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে শনিবার পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত ইরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রথমে একমত হতে হবে যে সামরিক পদক্ষেপকে বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়টি বাদ দিতে হবে।

আরাঘচি আরও বলেন, ‘ইরান কখনই জোরজবরদস্তি মেনে নেবে না।’ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পরে জানিয়েছে যে, আরাঘচি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে দেখা করবেন। সেখানে ওমান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে।

সোমবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরান মহাবিপদে পড়বে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টা পর তেহরান নিশ্চিত করেছে, শনিবার ওমানে আলোচনা হবে। তবে তারা এটাকে পরোক্ষ আলোচনা বলে উল্লেখ করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শনিবার ওমানে উচ্চ পর্যায়ের পরোক্ষ আলোচনার জন্য মিলিত হবে। এটা যতটা সুযোগ, ঠিক ততটাই পরীক্ষা। বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইরানিদের সঙ্গে কাজ করছি। শনিবার আমাদের খুব বড় বৈঠক আছে এবং আমরা সরাসরি তাদের সঙ্গে কাজ করছি।’সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, তেহরানের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে মঙ্গলবার মস্কোতে রাশিয়া, চীন ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

আরো..