ক্রীড়া ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে বন্ধ হয়ে যায় দুই দেশের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ও পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। যুদ্ধ বন্ধের পর আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এই দুই দেশের জনজীবন। এরইমাঝে আইপিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ১৭ মে থেকে পুনরায় শুরু হবে মাঠের খেলা।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের আসন্ন পাকিস্তান সফর নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সফরটি বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নির্ভর করছে সরকারের সবুজ সংকেতের ওপর।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, পাকিস্তানে ২৫ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনার কারণে পিএসএলের ফাইনাল পিছিয়ে ২৫ মে নির্ধারণ করায় সফরের সূচিতে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, সিরিজ শুরু হবে ২৭ মে এবং শেষ হবে ৫ জুন। এমনটায় জানায় ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান জানান, ‘সরকারি নিরাপত্তা সংস্থা এবং ইসলামাবাদে বাংলাদেশ দূতাবাসের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিসিবি নিজে থেকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা ইস্যুতে সবদিক থেকে ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই সফর চূড়ান্ত হবে। অতীতে পাকিস্তান সফলভাবে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হয়েছে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিও বিবেচনায় রাখতে হবে।’
পাকিস্তান সফরের আগে বাংলাদেশ দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ১৭ ও ১৯ মে শারজাহতে অনুষ্ঠিত হবে এই দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। এরপর ২১ মে লাহোরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে টাইগারদের।
পিএসএলের নতুন এই সূচির সুবাদেই পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সিরিজ। দুই দেশের মধ্যেকার ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করা ছিল ২৫ মে তারিখ থেকেই। ফাইনাল ২৫ তারিখেই হলে, পিছিয়ে যাবে বাংলাদেশ সিরিজ।
টুর্নামেন্ট নতুন করে শুরুর ঘোষণা দিয়ে মহসিন নাকভি লিখেছেন, ‘এইচবিএল পিএসএল-টেন ঠিক সেখান থেকেই শুরু হবে যেখানে সেটা ছিল। ৬ দল। শূন্য শঙ্কা। আসুন সবাই এক হয়ে ক্রিকেটের চেতনাকে সম্মান জানাই। ১৭ মে থেকে শুরু হচ্ছে ৮ রোমাঞ্চকর। যেটা আমাদের নিয়ে যাবে ২৫ মে ফাইনালের পথে। সব দলের জন্য শুভকামনা।’
পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো আগেই আভাস দিয়েছিল, ১৬ থেকে ১৮ মে তারিখের মধ্যে পিএসএল শুরু হতে পারে। যদিও এই দফায় বিদেশি ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। বিদেশি ক্রিকেটারদের দুবাইয়ে সরিয়ে নেওয়ার পর অনেকেই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন।