আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছিয়ার মৃত্যুতে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আছিয়ার মৃত্যুতে জড়িত সকল অপরাধীর দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে দেশে বিদ্যমান বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কাফন জড়িয়ে মিছিল করে।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা ফারহানা মানিক মুনা তাঁর বক্তব্যে বলেন, ❝একটি ছোট্ট শিশু জীবন নামক শব্দ বুঝে ওঠার আগেই হারাতে হলো প্রাণ। আজকে শুধু আছিয়া নয় বরং বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিক তথা বাংলাদেশের উপর কাফন চড়ানো হয়েছে। শিশুটি প্রাণ হারানোর পরে আজ সরকার পক্ষ তার হত্যার সাথে জড়িতদের ৭ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিলো। অন্তরে প্রচণ্ড ক্ষোভ থাকা সত্ত্বেও মৃত্যু দিয়ে পাওয়া আছিয়ার ন্যায়বিচারের ঘোষণায় আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে আমরা হুশিয়ারি জানাই, এই ঘোষণা যেনো লোক দেখানো ঘোষণা না হয়। আমরা এই ঘোষণার বাস্তবায়ন চাই। এমনকি শুধু আছিয়া নয়, তনু, মুনিয়া, আয়শা, রুপা, সায়মা সহ এমন অসংখ্য নারী-শিশু যারা এই রাষ্ট্রে বিচারহীনতার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে বছরের পর বছর ধুকছে তাদের প্রত্যেকে হত্যার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। প্রত্যেকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।তনু-মুনিয়া-সায়মা-নুসরাত-আছিয়াদের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, বিদ্যমান বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে ভেঙে দিয়ে বিচারব্যবস্থা কে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের যাত্রা সফল হবে। নারীর জন্য, শিশুর জন্য প্রত্যেক প্রাণের জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র গঠনই হবে আমাদের নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্য। নিরাপদ-ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে সত্যিকার মর্যাদা নিশ্চিত হবে তনু-আছিয়াদের।❞
আজকে তাৎক্ষণিক প্রতীকি ‘কাফন মিছিল’ এ সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন চিত্রশিল্পী সুমনা আক্তার, আবৃত্তিশিল্পী সৌরী ছোঁয়া, শিল্পী অংকন রানা।
কাফন মিছিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সৌরভ সেন, সাধারণ সম্পাদক সৃজয় সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইউসা ইসলাম, তাইরান আবাবিল রোজা, নারায়ণগঞ্জ কলেজ আহ্বায়ক মৌমিতা নূর, জেলা অর্থ সম্পাদক শাহীন মৃধা, তোলারাম কলেজ সংগঠক রাইসা ইসলাম, পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় আহ্বায়ক আফসানা আহমেদ সহ জেলা এবং অন্যান্য শাখা নেতৃত্ববৃন্দ।