বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের বিকল্প ছিল না সেনেগালের সামনে। সেই কঠিন সমীকরণ দারুণভাবে মিলিয়ে ‘আই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে আফ্রিকার দলটি। কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে দাপুটে এই জয়ে শেষ ৩২-এ ওঠার আশা এখনও বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল।
ফ্রান্স ও নরওয়ের বিপক্ষে টানা দুই পরাজয়ের পর বিদায়ের শঙ্কায় থাকা সেনেগাল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। ম্যাচের মাত্র চতুর্থ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হাবিব দিয়ারার গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। বিশ্বকাপে এটি সেনেগালের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম গোল।
১৩তম মিনিটে আরও চাপে পড়ে ইরাক। ভিএআরের সহায়তায় সিদ্ধান্ত বদলে রেফারি ডিফেন্ডার রেবিন সুলাকাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। সাদিও মানেকে নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইরাক।
প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়ে থাকলেও বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সেনেগাল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লামিন কামারার পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইসমাইলা সার।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় সেনেগাল। দূরপাল্লার শক্তিশালী শটে তৃতীয় গোল করেন পাপে গুয়ে। কিছুক্ষণ পর নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান হাবিব দিয়ারা।
ম্যাচের শেষ ভাগে বদলি হিসেবে নেমে জোড়া গোল করে দলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পাপে থিয়াও। আর শেষ মুহূর্তে দূরপাল্লার দৃষ্টিনন্দন শটে পঞ্চম গোলটি করেন ইলিম্যান এনদিয়ায়ে।
এই জয়ের ফলে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর তালিকায় আপাতত পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে সেনেগাল। তবে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করতে এখন অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে তাদের। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে কোনো পয়েন্ট ছাড়াই বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করেছে ইরাক।