https://www.a1news24.com
৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৩৮

সিলেটে সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় ও জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো: আবুল কালাম এর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ ইছমাইল মিয়ার পরিচালনায় আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত করেন সিলেট প্রধান ডাকঘরের কর্মচারী নেতা মো: আশরাফ আলী।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখে, সিলেট প্রধান ডাকঘর এর কর্মচারী নেতা মো: খালেদ মিয়া, মো: সাদিক আহমদ, সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আব্দুল আজিজ, সুজন চন্দ্র সরকার, প্রচার সম্পাদক পাপ্পু আহম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি রমজান আহমদ, আবু তাহের, ধ্রুব জ্যোতি দাস, প্রমথেশ দত্ত, দিলীপ রায় সহ অন্যান্য সাধারণ কর্মচারীবৃন্দ।

সভার শুরুতেই বক্তারা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল আজিজ ও মরহুম সালে উদ্দিন আহমদ সেলিমসহ প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের অবদান গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। একই সাথে সিলেট জেলার কর্মচারী আন্দোলনের অন্যতম রূপকার মরহুম আমিন উদ্দিন, মরহুম নজরুল ইসলাম, মরহুম রফিকুল বশর, মরহুম মাসুক মিয়া ও মরহুম আব্দুল কাদিরের অবদানের কথা স্মরণে এনে তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

সভায় বক্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সরকার গঠনের মাত্র ৬ মাসের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বহুপ্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন প্রদান করে বর্তমান সরকার এক যুগান্তকারী ও কর্মচারীবান্ধব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। একই সাথে পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্র্বতীকালীন বিশেষ সুবিধা বহাল রাখা, নবম পে-স্কেলে পূর্বের ন্যায় ‘টাইমস্কেল’ ও ‘সিলেকশন গ্রেড’ পুনর্বহাল এবং শতভাগ পেনশন প্রথা চালুর জন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানান কর্মচারী নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আরও বলেন, নবম পে-স্কেল আদায়ের আন্দোলনে যাঁরা সারা বাংলাদেশের কর্মচারীদের রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হতে সাহস জুগিয়েছেন এবং সম্মুখসারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে তা সারাদেশের কর্মচারীরা প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁদের এই ঐতিহাসিক অবদান কর্মচারী সমাজ চিরদিন মনে রাখবে। সিলেটেও কর্মচারীরা যেভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন সফল করেছেন, তাও ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আগামীতে কর্মচারীদের ন্যায়সঙ্গত যেকোনো দাবি আদায়ে সিলেটের সর্বস্তরের সরকারি কর্মচারীদের সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।-বিজ্ঞপ্তি

আরো..