https://www.a1news24.com
৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:১৩

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা দক্ষিণের বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত

জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্তরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা দক্ষিণের উদ্যোগে বিশাল সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে জেলা সভাপতি হাজী মোহাম্মদ হানিফ মিয়া বলেন, জুলাই আন্দোলনে রাজনৈতিক দলের ব্যানার নিয়ে জীবনবাজি রেখে একমাত্র ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাত্রদের আন্দোলনে শরীক হয়ে তাদের শক্তি জোগার করেছিলেন। সেদিন পীর সাহেব চরমোনাই বা তার দল লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী নিয়ে মাঠে না নামলে আন্দোলন সাকসেস নাও হতে পারতো এমনই মন্তব্য করেছেন জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। কাজেই ইসলামী আন্দোলনের অবদান রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে যা ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে গণরায় দিয়ে দিয়েছে। একই সাথে জাতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষ গঠন করতে হবে পিআর বা সংখ্যানুপাতি ভোটের হারে।

সংগঠনের নবনির্বাচিত সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহীন আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান, হাজী সুলতান আহমদ খান, হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন, হাজী শামীম খান, হাজী জয়নাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল আছে। সবাই সভা-সেমিনারে দেশপ্রেমের বয়ান দিয়ে আসছে ; অথচ, দেশের ক্লান্তিকালে কখনোই তারা দেশপ্রেমের চিন্তায় জয়ী হতে পারেনি। জুলাই অভ্যুত্থানে কেউ দলীয় ব্যানারে বা দলীয় বক্তৃতায়ও সরাসরি আন্দোলন, সংগ্রামের দিনগুলোতে সামনে আসতে পারেনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কথা-কাজের মিল রেখে আন্দোলনে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের দিনগুলোই জ্বলন্ত স্বাক্ষী; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের শক্তি। ঢাকা জেলা নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার পতন হয়েছে। কেউ যদি জুলাই আন্দোলন শিক্ষা না নেয়, তাহলে তাদের পরিণতিও ভয়াবহ রূপ নেবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি স্বৈরাচারী আচরণের দিকেই পরিচালিত হচ্ছে বলে মনে হয়। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে সরকারকে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে। সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংসদে উচ্চকক্ষের বাস্তবায়ন দেখতে চাই।পরে একটি বিশাল গণমিছিল কদমতলী গোলচত্তর হয়ে বাবুবাজার ব্রীজ প্রদক্ষিণ করে। পরে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

আরো..