পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে গেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) একটি ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি সেখানে পৌঁছান।
ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছার পর তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরকে ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
ইসলামাবাদে পৌঁছেই আরাগচি ও তার প্রতিনিধি দল শহরের সেরেনা হোটেল ইসলামাবাদে ওঠেন। সেখানে ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। এর জেরে ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হলেও প্রায় ৪০ দিন পর ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদেই প্রথম দফা আলোচনায় বসে দুই পক্ষ। সে সময় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। দীর্ঘ বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি।
বর্তমানে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সংলাপের প্রস্তুতি চলছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। তবে নতুন এই আলোচনায় আগের দুই শীর্ষ প্রতিনিধি—ভ্যান্স ও গালিবাফ অংশ নেবেন না বলে জানা গেছে।
এদিকে কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনা হয়েছে। সেখানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে কাতার।
সূত্র: রয়টার্স