https://www.a1news24.com
,

অবকাঠামো ও শিল্প খাতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনা প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা

অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন উপস্থিত ছিলেন।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থার ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং সিআরসিসির পক্ষে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) চেয়ারম্যান লি চংইয়াং স্মারকে সই করেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় সিআরসিসি ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো পরিবহন ও লজিস্টিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, রেল সরঞ্জাম সংযোজন এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করবে।

এ ছাড়া রাসায়নিক, চিনি ও খাদ্যশিল্প এবং ইস্পাত ও প্রকৌশল খাতের কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগও বিবেচনা করবে প্রতিষ্ঠানটি। এ ক্ষেত্রে সংশি¬ষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে সহায়তা দেবে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দুই দেশের প্রতিনিধিদল বিনিয়োগ সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা। চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন।

সিআরসিসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিসিইসিসির বাস্তবায়নাধীন মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন দু’টি কনটেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।

আয়ের ভিত্তিতে তৈরি ২০২৬ সালের ফরচুন গে¬াবাল ৫০০ তালিকায় সিআরসিসির অবস্থান ৫৭তম। ২০২৬ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোসে প্রধানমন্ত্রী ও সিআরসিসির চেয়ারম্যানের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এ সমঝোতা স্মারক সই হলো। এর লক্ষ্য হলো দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের সম্পৃক্ত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনাময় প্রকল্প চিহ্নিত করা। সরকারের ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরো..