বিনোদন ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ ও তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছে। গত আগস্টে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন সুনীতা। তবে এরপরও তাদের সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। এর মধ্যেই আলোচিত প্রেমিকা কোমলরানি স্বর্ণকারকে নিয়ে লালবাগচা রাজার দর্শনে গিয়ে নতুন করে আলোচনায় গোবিন্দ।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ের বিখ্যাত লালবাগচা রাজার পুজোমণ্ডপে কোমলরানিকে সঙ্গে নিয়ে দেখা যায় গোবিন্দকে। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় নতুন জল্পনা। নেটিজেনদের নজর কাড়ে কোমলরানির সিঁথির সিঁদুর। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন গোবিন্দ?
যদিও গোবিন্দ বা কোমলরানি কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানাননি। ফলে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি এখনো গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।ঘটনার দিন দুপুরে লালবাগচা রাজার দর্শনে একাই গিয়েছিলেন সুনীতা। তার সঙ্গে সন্তান কিংবা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর একই পূজামণ্ডপে কোমলরানিকে নিয়ে হাজির হন গোবিন্দ।
ক্যামেরার সামনে বেশ স্বাভাবিকভাবেই দেখা যায় অভিনেতাকে। ফটোশিকারীদের দেখে হাসিমুখে হাত নাড়েন তিনি। তার পাশেই ছিলেন কোমলরানি। দুজনকে একসঙ্গে দেখে নতুন করে চর্চা শুরু হয় গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।
এর মধ্যেই সুনীতার একটি মন্তব্য সেই জল্পনায় যেন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। লালবাগচা রাজার পূজামণ্ডপে ফটোশিকারীরা তার পোষ্য কুকুর ‘উইন্টার’ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম না করেই স্বামীকে কটাক্ষ করেন তিনি।
সুনীতা বলেন, ‘মানুষকে যতই ভালোবাসুন না কেন, কোনো লাভ নেই। তারা শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসঘাতকতাই করে। বরং পশুদের ভালোবাসুন, তারা সবসময় আপনার পাশে থাকবে। মানুষ তো ধোঁকাবাজই হয়।’সুনীতার এই মন্তব্যের পরই তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, গোবিন্দের সঙ্গে কোমলরানির লালবাগচা রাজার দর্শনের প্রসঙ্গেই এমন মন্তব্য করেছেন তার স্ত্রী।
তবে গোবিন্দ ও কোমলরানির সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো নতুন তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে কোমলরানির সিঁথিতে সিঁদুর থাকার বিষয়টিও গোবিন্দের সঙ্গে তার বিয়ের প্রমাণ নয়। তাই অভিনেতার দ্বিতীয় বিয়ের খবর আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই রয়েছে।
১৯৮৭ সালে সুনীতা আহুজাকে বিয়ে করেন গোবিন্দ। ২০২৫ সালে তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়ালেও পরবর্তীতে তারা একসঙ্গে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করেন। ২০২৬ সালে সুনীতা তার বিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহার করেছেন বলেও জানা গেছে।