আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন।জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমাদের এত তাড়া নেই। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির সময়ে ইরান হয়তো কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করবে, তবে মার্কিন বাহিনী দ্রুতই তা অকার্যকর করে দিতে পারে।
তাদের নৌবাহিনী শেষ। তাদের বিমানবাহিনী শেষ, তাদের বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থাও শেষ… হয়তো এই দুই সপ্তাহের বিরতিতে তারা কিছুটা রসদ মজুত করেছে, তবে যদি তারা তা করেও থাকে, আমরা এক দিনেই তা গুঁড়িয়ে দেব।
দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির সময়সীমা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে তাড়াহুড়ো করতে বলবেন না। ইরানের প্রায় ৭৫ শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে’।
যুদ্ধ আগে দেওয়া তার চার থেকে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হওয়ার দাবির বিষয়ে সাংবাদিকরা চাপ দিলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমিও সামান্য বিরতি নিয়েছিলাম। আমি সবচেয়ে ভালো চুক্তিটি করতে চাই, আমি এখনই একটি চুক্তি করতে পারি। তাদের পুনর্গঠন করতে ২০ বছর সময় লাগবে, কিন্তু আমি তা করতে চাই না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি এর ওপর তেমন কোনো সময়সীমা চাপিয়ে দিতে চাই না, তবে এটি খুব দ্রুতই ঘটবে এবং আমরা হরমুজ প্রণালি খুলে দেব।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরানিরা আমাদের কাছে এসে বলেছিল, আমরা প্রণালীটি খুলে দিতে রাজি আছি এবং এতে আমার সব লোকজন খুশি হয়েছিল। আমি ছাড়া প্রত্যেকেই খুশি ছিল। আমি বললাম, এক মিনিট দাঁড়ান, যদি আমরা প্রণালীটি খুলে দিই, তবে এর মানে হলো তারা প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলার আয় করবে। এই সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি চাই না তারা প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার আয় করুক। তাই আমিই এটি বন্ধ রেখেছি।’
সূত্র: আল জাজিরা