https://www.a1news24.com
২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:৪৩

পে স্কেলের দাবিতে দুইদিন সরকারি অফিসে বিক্ষোভ, ৩০ জানুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশ

নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি উপদেষ্টার বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার এবং বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে কঠোর আন্দোলনে নেমেছে সরকারি কর্মচারীরা। ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ও আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

এরপর আগামী ৩০ জানুয়ারি সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বড় ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দাবি পূরণ না হলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত দেশব্যাপী টানা ধারাবাহিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সংগঠনের সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের একটি বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

কর্মচারী নেতাদের অভিযোগ, উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, বর্তমান সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং কেবল আন্দোলন প্রশমিত করতেই পে কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এই বক্তব্যকে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীদের সঙ্গে ‘তামাশা’ ও ‘রসিকতা’ বলে আখ্যা দেন নেতারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ১১ বছর ধরে কর্মচারীরা ন্যায্য পে স্কেল থেকে বঞ্চিত। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে তারা চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। নবম পে কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের হাতে থাকা এবং বাজেটে অর্থের সংস্থান থাকা সত্ত্বেও গেজেট প্রকাশে গড়িমসি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এ অবস্থায় জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বলে দাবি করেন কর্মচারী নেতারা। তারা অবিলম্বে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার শর্তে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানান। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আরো..