সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬: সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’ চূড়ান্ত করে অনুমোদন ও প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের পাশাপাশি ২০২৬ সালের মধ্যে সরকার গতিসীমার ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল এবং হেলমেট ব্যবহার বাস্তবায়ন গাইডলাইন প্রণয়ন করবে।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তাকে সরকার জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ।
এ প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণে সহযোগিতা করছে গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি), গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই), ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডাম) এবং রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ (আরএসসিবি)।
এদিকে মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য ‘সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার: সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা সফলভাবে কমিয়ে আনা দেশগুলোর সর্বোত্তম চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।