https://www.a1news24.com
১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৪৮

সংকটের সম্ভাবনা নেই, কোরবানির জন্য রংপুরের কাউনিয়ায় ২৫৮৬০টি পশু প্রস্তুত

সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ পবিত্র ঈদুল আজহা যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ব্যস্ত হয়ে উঠছে রংপুরের কাউনিয়ার গ্রামাঞ্চলের খামারগুলো। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কর্মব্যস্ততা। অধিক লাভের আশায় পরিবারের সদস্যদের নিয়েই গরু মোটাতাজাকরণে সময় কাটাচ্ছেন উপজেলার শতশত খামারি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবার কাউনিয়া প্রায় ৩২৮০ খামারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ২৫হাজার ৮৬০টি গবাদিপশু। এর মধ্যে ৬৬৯৭টি ষাঁড়, ২০৩৬টি বলদ, ২০৯২টি গাভী, ৯৮টি মহিষ, ১৪০৮৪টি ছাগল, ৮৪৬টি ভেড়া, অনান্য ৭টি পশু রয়েছে । খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধানের খড়, সবুজ ঘাস, ভুসি, খৈল ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খাইয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। শুধু উপজেলার চাহিদা পূরণ নয়, প্রতিবছরের মতো এবারও কাউনিয়া থেকে পশু রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার হাটে যাবে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা খামারগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় গবাদিপশুর খামার গড়ে উঠতে শুরু করেছে বহু আগে। সময়ের সঙ্গে এ খাত এখন উপজেলার অন্যতম বড় অর্থনৈতিক খাতে পরিণত হয়েছে। দেশীয় জাতের পাশাপাশি শাহীওয়াল, ফ্রিজিয়ান, নেপালি গির, রাজস্থানি ও অস্ট্রেলিয়ান জাতের গবাদিপশুও লালন-পালন করছেন খামারিরা। খামারী তাজরুল ইসলাম জানান সম্ভাবনার এই খাতে বড় দুশ্চিন্তার নাম উৎপাদন ব্যয়। চলতি বছরে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিদের খরচও অনেক বেড়েছে।

খাদ্যের দাম বাড়লেও ভারত থেকে গরু না আসলে ঈদে ভালো বাজারমূল্যের আশা করছেন তিনি। ভারতীয় গরু অবাধে আসলে দেশীয় খামারিরা ন্যায্যম‚ল্য থেকে বঞ্চিত হবে। গরুর খাদ্য ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম বলেন, গরু ও ছাগলের খাবারের দাম কিছুটা বেড়েছে। সামনে ঈদ, এজন্য চাহিদাও বেশি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এআরএম আল মামুন বলেন, চলতি বছরে কাউনিয়ায় ২৫৮৬০টি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। উপজেলায় চাহিদা ১৭৪১১টি, উদ্বৃত্ত রয়েছে ৮৪৪৯টি পশু। কোরবানী উপলক্ষে কোন পশুর সংকট হবে না। যে পরিমান গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে, তা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি।

আরো..