https://www.a1news24.com
২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:০৫

লাশ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ দিন ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনার দায়ে স্থানীয় সাবেক এমপি পলাতক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এফ এম সায়েদ (রনি), সাবেক এসআই আব্দুল মালেক, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া ও কনস্টেবল মুকুল।

এছাড়া সাবেক এসআই আরাফাত উদ্দিন ও এএসআই কামরুল হাসানকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলায় রাজ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন সাড়ে ১২টার দিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে ৮ জন পলাতক। বাকি ৮ জন রায় পড়ার সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
এ ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন- সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়েজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় উপস্থিত আট আসামির সাতজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠা, দালিলিক প্রমাণাদি ১৬৮ পৃষ্ঠা ও দুটি পেনড্রাইভ যুক্ত করে প্রসিকিউশন।

আরো..