গতকাল সংবাদ সম্মেলনে সবাইকে ‘বিশ্বাস রাখতে’ বলেছিলেন নাঈম হাসান। শুধু কথায়ই নয়, ব্যাট হাতে সেই আস্থার প্রতিদানও দিয়েছেন নাঈম। একাই লড়ে গেলেন শেষ পর্যন্ত। ৫২ রানে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের স্কোরটা নিয়ে গেলে ১৪২ রানে। ওই ১৪২ রানেই দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট বাংলাদেশ।
ঢাকা টেস্টে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে শনিবার আরও ৬৩ রান যোগ করেছেন টেইলেন্ডাররা।
টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে সর্বনিম্ন ২০৪ রান ডিফেন্ড করে জয়ের রেকর্ড আছে বাংলাদেশের।২০১৮ সালে চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই সেটি করেছিল টাইগাররা। এবার সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই ইতিহাস গড়তে হবে নাজমুল হোসেন শান্তদের।
এদিন বেশিরভাগ রানই করেছেন নাঈম। ১৮ রান নিয়ে দিন শুরু করে ৫২ রান করে আউট হয়েছেন তিনি।তুলে নিয়ছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি।
এদিকে, শনিবার দিনের শুরুতেই জাকের আলীর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওয়ারিক্যানের করা দিনের প্রথম ওভারের শেষ বলে রোস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন জাকের। মুমিনুলের কনকাশন সাব হিসেবে নামা এই ব্যাটার ২২ রান করেছেন।জাকেরের বিদায়ের পর হাসান মাহমুদকে নিয়ে ২৬ রানের জুটি গড়েন নাঈম। বাংলাদেশের দলীয় ১১০ রানে হাসানকে এলবিডব্লিউ করে সাজঘরে ফেরান ওয়ারিক্যান।
এক প্রান্তে উইকেট হারালেও অন্যপ্রান্তে অটল ছিলেন নাঈম। তার প্রতিরোধে লিড দেড়শ’ ছাড়ায় বাংলাদেশের। টাইগারদের লিড যখন ১৫৪, তখন রস্টন চেজের বলে এলবিডব্লিউ হন তাইজুল ইসলাম। তিনি করেন ৮ রান।দ্বিতীয় ইনিংসে উইন্ডিজের হয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন রস্টন চেজ। ওয়ারিক্যান নিয়েছেন ৪ উইকেট।