ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর’ নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, আগামী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
বেসেন্টের দাবি, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা গেলে দেশটির বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে আসতে পারে।
সংবাদমাধ্যমকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, তেলের দাম হঠাৎ কেন বেড়েছে, তা তিনি নিশ্চিত নন।তবে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক শক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন নাও হতে পারে।
নতুন নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর কার্যকর হবে উল্লেখ করে বেসেন্ট দাবি করেন, এর মাধ্যমে দেশটির বর্তমান শাসনের পতন ঘটতে পারে।একই সঙ্গে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশসহ বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রকে নিজেদের অবস্থান নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকা চীনও নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে বেসেন্ট বলেন, “এ ধরনের অনেক আলোচনা প্রকাশ্যে না করে ব্যক্তিগত পর্যায়ে করাই ভালো।
তিনি আরও বলেন, চীনের জ্বালানি চাহিদার প্রায় অর্ধেক উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। এ কারণে ইরান ইস্যুতে চীনের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অবস্থান নেওয়াই দেশটির স্বার্থের জন্য ভালো হবে বলে মন্তব্য করেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।