https://www.a1news24.com
১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৫৯

ব্যাটিং ধসেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু, জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় পরাজয় বরণ করেছে বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে আশার আলো দেখালেও পরে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। তানজিদ হাসান তামিমের ৪৬ ও সাইফ হাসানের ২৬ রানের ইনিংস ছাড়া উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি আর কেউ। শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানে অলআউট হয়ে ব্যাটিং ব্যর্থতার এক বিব্রতকর অধ্যায় দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা খুব খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। তবে সৌম্য সরকার ৯ রান করে ফিরতেই ছন্দপতন শুরু হয়। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ওপেনার।
তানজিদ হাসান তামিম শুরুতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও ৪৬ রান করে আউট হন তিনি।

এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্তও।তার ব্যাট থেকে আসে ১৩ রান।

দলীয় ৯৭ রানে চতুর্থ উইকেট হিসেবে অধিনায়ক হৃদয় ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের আশা আরও ফিকে হয়ে যায়। ২১ বলে ১৩ রান করে সিকান্দার রাজার বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক হোসেনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। শেষদিকে রিশাদের সঙ্গে তাসকিনের ২৬ বলে ৩২ রানের জুটি ব্যবধানই কেবল কমিয়েছে। রিশাদ ২৩ ও তাসকিন খেলেন ১৬ রানের অপরাজিত ইনিংস।

জিম্বাবুয়ের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন ব্র্যাড ইভান্স। তিনি বাংলাদেশের ৪টি উইকেট নেন। সিকান্দার রাজা ও মাসাকাদজা শিকার করেন ২ উইকেট।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তাসকিন আহমেদের বোলিং তোপে শুরুতেই বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটিকে পথ দেখান ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিন। চতুর্থ উইকেটে দুজন গড়েন ১৫০ রানের জুটি। টেলর ১০১ বলে ৮১ এবং আরভিন ১০৬ বলে ৯৩ রান করেন। তাদের ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ। ৩ উইকেট নেন তিনি। শরিফুল ইসলাম ও সাইফ হাসান পান ২টি করে উইকেট। রিশাদ হোসেন নেন ১ উইকেট। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ২১ অক্টোবর, প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান।

আরো..