https://www.a1news24.com
৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৪০

‎ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিল ইংল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক: হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা জোড়া গোল করেছেন। জুড বেলিংহ্যাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও মর্গান রজার্সও গোলের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। সব মিলিয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে উয়েফা নেশনস লিগে দারুণ জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।

রিজেকার মাঠে শনিবার (৩ অক্টোবর) টমাস টুখেলের দল শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। এই জয়ে নেশনস লিগে নিজেদের গ্রুপে প্রথম তিন ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় হলো দুটি। টুখেল দায়িত্ব নেয়ার পর এটিই ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয়।

ম্যাচের মাত্র অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। অভিষেক শুরুর ম্যাচ খেলতে নামা অ্যালেক্স স্কটের নিখুঁত পাস থেকে বল পান বেলিংহ্যাম। এরপর তার দারুণ থ্রু-পাসে বল পেয়ে ১০ গজ দূর থেকে গোল করেন হ্যারি কেইন।

২১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেলিংহ্যাম। ২৭ পাসের দুর্দান্ত এক আক্রমণের শেষে সাকার ক্রস ঠিকভাবে সতীর্থদের কাছে পৌঁছায়নি। তবে অ্যান্থনি গর্ডন মাঝআকাশে বল নিয়ন্ত্রণ করে আবার বক্সে পাঠান। সেখান থেকে বেলিংহ্যাম পায়ের ছোঁয়ায় বল জালে জড়িয়ে দেন।

৩৯ মিনিটে ইংল্যান্ডের তৃতীয় গোলটি করেন গর্ডন। জ্যারেল কুয়ানসাহর নিখুঁত ক্রসে ছয় গজ দূর থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে শেষ চার ম্যাচে এটি গর্ডনের চতুর্থ গোল।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আবারও গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। ২০১৮ বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়ার বক্সে দুর্দান্তভাবে ঢুকে পড়ে বেলিংহ্যাম বল বাড়িয়ে দেন সাকার দিকে। সেখান থেকে সহজেই বল জালে পাঠিয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন আর্সেনাল উইঙ্গার। ফলে বিরতিতে ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

বিরতির পরও ক্রোয়েশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত রাখে ইংল্যান্ড। ৫৩ মিনিটে আবারও গোল করেন কেইন। অ্যান্ডারসনের ক্রসের দিকে ছুটে গিয়ে স্লাইডিং ফিনিশে বল জালে পাঠান বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার। ৬৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সাকা। কেইনের পাস থেকে বল পেয়ে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগের আরেকটি ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজেই গোল করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৮৭ মিনিটে ইংল্যান্ডের সপ্তম গোলটি আসে মর্গান রজার্সের পা থেকে। বেলিংহ্যামের পাস পেয়ে ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচকে কাটিয়ে বল জালে পাঠান বদলি হিসেবে নামা রজার্স।

গোল করেই থেমে থাকেননি বেলিংহ্যাম। ইংল্যান্ডের সাত গোলের মধ্যে তিনটিতেই সরাসরি সহায়তা করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার। পুরো ম্যাচে তার পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত।

এই জয়ে নেশনস লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে জায়গা করে নেয়ার লড়াইয়ে ইংল্যান্ড নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। গ্রুপের সেরা দুই দলের মধ্যে থাকতে পারলেই আগামী মার্চে কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে তারা।

আরো..