https://www.a1news24.com
২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৩৫

জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষে পিআর দাবি সরকারকে মেনে নিতে হবে

ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে সকল দল ও মতের মানুষ রাজপথে সরব ছিলো। বর্তমান সরকার জনতার সেই চাওয়াকে কোন প্রকার গুরুত্বই দিচ্ছে না। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে ফ্যাসিবাদ হতে চাইলে জনগণ রুখে দাড়াতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, বিরোধী দলও সংষ্কার এবং উচ্চকক্ষ নিয়ে জোরালো ভুমিকা পালন করতে পারছে না, বরং নিরবে তাদের দলের মহিলা প্রার্থীর তালিকা জমা দিয়ে দিয়েছে। সরকার ও বিরোধী দল অনেকটা সমঝোতার ভিত্তিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হয়।

আজ বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শাহজাহানপুর থানা শাখার উদ্যোগে শাহজাহানপুরের একটি মিলনায়তনে তৃণমূল দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভায় মহানগর সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম এসব কথা বলেন। শাহাজাহনপুর থানা সভাপতি ডা. মাওলানা সৈয়দ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মাওলানা মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর দক্ষিণের প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক প্রভাষক শফিকল ইসলাম। এ সময় থানা ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেন, আগের সরকার কেন ফ্যাসিবাদ হয়েছিলো, তার কারণ ছিলো এককভাবে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা। এ জন্যই সাংবিধানিক পদে নিয়োগপদ্ধতি, প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানোর প্রস্তাবের পাশাপাশি সংসদে উচ্চকক্ষের গঠন প্রক্রিয়া ও সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে সকলেই একই সুরে কথা বলেছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব ছিল পিআর পদ্ধতিতে নিম্নকক্ষে নির্বাচন। অপরদিকে সংবিধান সংস্কার কমিশনের দাবি ছিল উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিম্নকক্ষে সাধারণ নির্বাচনে একটি দল সারা দেশে যত ভোট পাবে, তার অনুপাতে দলটি উচ্চকক্ষে আসন পাবে। পিআর পদ্ধতি চালু হলে উচ্চকক্ষে কোনো দলের একক নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। এতে উচ্চকক্ষ ভারসাম্যমূলক এবং তুলনামূলক বেশিসংখ্যক দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

আরো..