https://www.a1news24.com
২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:০৯

মালদহে বন্যার ছ’দিনের মধ্যে ১০ হাজার দুর্গত পরিবারের পাশে পতাকা শিল্প গোষ্ঠীর জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটি

গঙ্গা ও ফুলহার নদীর জলস্ফীতি ও ভাঙনে বিপর্যস্ত মালদহের মানিকচক ও ভূতনি চর। ঘরবাড়ি, চাষের জমি, পানীয় জল—সব হারিয়ে চরম দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ। এই মানবিক বিপর্যয়ে ত্রাতা হয়ে এগিয়ে এল ছ’দিনের মধ্যে ‘পতাকা শিল্প গোষ্ঠী’র জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটির কর্ণধার মোস্তাক হোসেন।

সংস্থার তরফে ‘পতাকা’ গ্রুপের ডিরেক্টর সারিফ হোসেন জানান, মালদহের মানিকচক ব্লকের ভূতনি সহ বিস্তীর্ণ প্লাবিত এলাকায় ১০ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে মানিকচক অফিস থেকে এই কর্মসূচির সূচনা হয়।

জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটির চেয়ারম্যান তথা বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবী মোস্তাক হোসেনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চলছে ত্রাণ-বণ্টন। প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে চাল, ডাল, আলু, ভোজ্য তেল, লবণ, সয়াবিন, চিঁড়ে, চিনি, বিস্কুট, দুধ ও বিশুদ্ধ পানীয় জল। যাঁদের বাড়ি ভেঙেছে বা ভেসে গিয়েছে, তাঁদের জন্য জরুরি আশ্রয় হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ত্রিপল।

নৌকা করে দুর্গম চর এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এই সামগ্রী। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন পরিবারগুলির বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

এই ত্রাণ-বণ্টন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোথাবাড়ির বিধায়ক এবং মানিকচকের বিধায়ক। ‘পতাকা’ গ্রুপের ডিরেক্টর সারিফ হোসেন জানান, “পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ত্রাণ-প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। এই দুঃসময়ে জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটি যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”

উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলিতেও বন্যা পরিস্থিতিতে মালদহের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এই সংস্থা। সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে, জল নামার পরেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পুনর্বাসনে নতুন করে সহায়তা করা হবে।

শিল্পপতি মোস্তাক হোসেন শুধু ব্যবসায়ী নন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে সারা বছরই কাজ করে চলেছেন। জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটির মাধ্যমে রাজ্যের যেকোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোস্তাক হোসেনের সাহায্যের হাত প্রসারিত হয়েছে বারবার। মালদহের এই ভয়াবহ বন্যায় তাঁর এই উদ্যোগ দুর্গত মানুষকে নতুন করে বাঁচার ভরসা জুগিয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

আরো..