https://www.a1news24.com
২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৩৭

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি: ডা. জাহেদ উর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক আইনি সুরক্ষা কেবল তিনি দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। দায়িত্ব শেষ হলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়টি রয়েছে। ফলে সরকারের পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হবে, প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাবেন কি না। তিনি গেলে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগও থাকবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও তার জানা নেই।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না? এমন এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি কার্যক্রম শুরু করা যায় না। তবে এই সুরক্ষা কেবল তার দায়িত্বকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য। তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর, দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা পরে সংঘটিত কোনো অভিযোগ বা আইনগত বিষয়ে প্রয়োজন হলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি বর্তমান বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে এ মন্তব্য করছেন না, বরং এটি একটি সাধারণ সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। এ বিষয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আদালতের স্বাধীনতা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়, আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ সব আদালতেই জনগণ ন্যায়বিচারের জন্য যেতে পারেন।

তিনি বলেন, কোনো কোনো মামলায় সরকার একটি পক্ষ হতে পারে, তবে আদালত স্বাধীনভাবেই সিদ্ধান্ত দেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই সরকার কোনো মামলার পক্ষও থাকে না।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বিরুদ্ধেও অসংখ্য রিট হয় এবং উচ্চ আদালতে বহু মামলায় সরকার পরাজিত হয়। তাই সরকার বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমি আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি, এখন আদালতে সবকিছুই যাচ্ছে এবং আদালত স্বাধীনভাবে তার কাজ করছে।

আরো..