https://www.a1news24.com
৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০৩

চট্টগ্রামে থাকা জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, শিপব্রেকিং শিল্পে অনিশ্চয়তা

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে চট্টগ্রামে ভাঙার জন্য আনা একটি জাহাজ ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিল পরিস্থিতি। এর ফলে বাংলাদেশের শিপব্রেকিং শিল্পে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আটকে থাকা ‘মেমেই’ নামের কেমিক্যাল ট্যাংকারটি এখন আর ভাঙার ইয়ার্ডে নেওয়া যাচ্ছে না। প্রায় ৬০ কোটি টাকার এই জাহাজটি ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসএন করপোরেশন।

জাহাজটি ২২ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালে নির্মিত ৪৪ হাজার ৮০০ টন ধারণক্ষমতার পালাউ-পতাকাবাহী এই ট্যাংকারটি মূলত তেল ও রাসায়নিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হতো।

গত ২৮ মে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এবং অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জাহাজটিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করে। অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে এটি ব্যবহৃত হয়েছিল। একই সঙ্গে এর মালিক হংকংভিত্তিক এভার শাইনিং লিমিটেডকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।

নিষেধাজ্ঞার কারণে জাহাজটি ইয়ার্ডে নিয়ে ভাঙার অনুমতি না মেলায় বাণিজ্যিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফলে এটি এখন চট্টগ্রাম উপকূলের আনোয়ারা এলাকার কাছাকাছি নোঙর অবস্থায় রয়েছে।

জাহাজ রিসাইক্লিং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় পুরো খাতের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

আরো..