সংসদীয় কমিটির চিঠির জবাবে লেবার পার্টি
জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির আজকের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ লেবার পার্টিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও দলটি উক্ত সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টি মনে করে, জুলাই সনদ ও গণভোটের মাধ্যমে জনগণের যে সিদ্ধান্ত ও প্রত্যাশা প্রতিফলিত হয়েছে, সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে তার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের গণতান্ত্রিক রায়কে পাশ কাটিয়ে কিংবা তার বাইরে গিয়ে সংবিধান সংশোধনের কোনো প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা লেবার পার্টির পক্ষে সম্ভব নয়।
আজ (রবিবার) পার্টির দফতর সম্পাদক মোঃ মিরাজ খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুখপাত্র মোঃ নাজমুল ইসলাম তালুকদার বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের সিদ্ধান্তের আলোকে সংবিধান সংস্কার করতে হবে। গণভোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংবিধান সংশোধনের কোনো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ লেবার পার্টি অংশ নেবে না।
লেবার পার্টির মুখপাত্র বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার হওয়া উচিত। এ বিষয়ে বাংলাদেশ লেবার পার্টির অবস্থান সুস্পষ্ট ও অপরিবর্তিত। জনগণের ভোটে প্রকাশিত সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে কোনো সাংবিধানিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাংলাদেশ লেবার পার্টি গ্রহণ করবে না।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণতান্ত্রিক রায়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। গণভোটের সিদ্ধান্তকে কার্যকর ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেই সংবিধান সংস্কারের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টি মনে করে, সংবিধান কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক শক্তির একক ইচ্ছার বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের জনগণের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তি। তাই সংবিধান সংস্কারের প্রতিটি পদক্ষেপে জনগণের প্রত্যক্ষ রায় ও জুলাই সনদের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা অপরিহার্য।
বাংলাদেশ লেবার পার্টি তার ঘোষিত অবস্থানে অটল থাকবে এবং গণভোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো সাংবিধানিক সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবে না।