https://www.a1news24.com
১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:৫৩

আবদুল জব্বার কল্যাণ ট্রাস্টের ‘মাসিক ভাতা কার্ড’ বিতরণ

অসহায় ও দরিদ্রদের সহায়তায় মাসিক ভাতা চালু করেছে ‘আবদুল জব্বার জলিল কল্যাণ ট্রাস্ট’। শনিবার দুপুরে নগরের জেলরোডস্থ আনন্দ টাওয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভাতা কার্ড বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ট্রাস্টের কর্ণধার সমাজসেবী আবদুল জব্বার জলিল বলেন, অসহায়-গরীবের কল্যাণে করা সকল কাজ কেবলমাত্র মহান আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য হওয়া উচিত। সমাজের স্বচ্ছল ব্যক্তিরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে দরিদ্রদের অসহায়ত্ব অনেকটা কমে আসবে। দরিদ্রদের সহযোগিতা করা স্বচ্ছল ব্যক্তিদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ ধনীর সম্পদে গরীবের হক রয়েছে।

ট্রাস্টের সভাপতি আবদুল জব্বার জলিলের সভাপতিত্বে ও ক্বারী জিলান আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ইফতেখার আলম, সিলেটভিউ২৪ডটকমের সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক শাহ্ দিদার আলম নবেল, কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও আবদুল জব্বার জলিলের মেয়ে আয়েশা নাসরিন জ্যোতি ও দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুসিক।

বক্তারা বলেন, ‘আবদুল জব্বার জলিল কল্যান ট্রাস্ট’ করোনা মহামারির দুঃসময়েও ফ্রি অক্সিজেন সেবা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে গেছে। সমাজসেবার প্রতিটি স্তরে এই ট্রাস্টের সভাপতি আবদুল জব্বার জলিলের অবদান রয়েছে। অসহায়দের গৃহনির্মাণ, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাশে দাঁড়ানো ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে তিনি অন্তত ত্রিশ দশক ধরে কাজ করছেন। তার এই কর্মকান্ড অন্যদের জন্য অনুকরণীয়। আবদুল জব্বার জলিলের এই সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলবে- এমন আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। প্রসঙ্গত, আবদুল জব্বার জলিল কল্যাণ ট্রাস্টের ‘মাসিক ভাতা’র আওতায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার থেকে সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন সুবিধাভোগীরা।-বিজ্ঞপ্তি

আরো..