https://www.a1news24.com
২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১:৫২

মহানবীর জন্ম ও ওফাতের স্মরণে আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

আজ ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মরণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে দিনটি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কুরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দান-খয়রাত ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। অনেকেই এ উপলক্ষে নফল রোজাও রাখছেন।

ইতিহাস অনুযায়ী, ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে আরবের মক্কা নগরের কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তার বাবা আবদুল্লাহ ও মা আমিনা।জন্মের আগেই বাবাকে হারান তিনি। মাত্র ছয় বছর বয়সে মায়ের মৃত্যু হলে শৈশবেই মাতৃহারা হন মহানবী (সা.)।

৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে ৬৩ বছর বয়সে একই দিনে তিনি ওফাত লাভ করেন। মহানবীর জন্ম ও ওফাতের স্মরণে মুসলমানরা ১২ রবিউল আউয়ালকে ঈদে মিলাদুন্নবী বা সিরাতুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করে আসছেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীও এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার এবং শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

দিনটি উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনাগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কদ্বীপ ও লাইট পোস্টে জাতীয় পতাকা ও ‘কালিমা তায়্যিবা’ অঙ্কিত ব্যানার টানানো হয়েছে।

এদিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মঙ্গলবার বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দেশবরেণ্য আলেম-ওলামারা এতে বয়ান করবেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিরাত মাহফিল, হামদ-নাত মাহফিল, সেমিনার, কবিতা পাঠ, ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সিরাত স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ এবং ইসলামী ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ বেতারের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন সেমিনারও অনুষ্ঠিত হবে।

আরো..