https://www.a1news24.com
২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:৫৭

যুদ্ধে ইরান জিতেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ‘লোকদেখানো’: মার্কিন সিনেটর

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে ‘লোকদেখানো পদক্ষেপ’ বলে সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি। তার অভিযোগ, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কারণে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের মূল্য গুনতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকদের।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ আরোপ করা হচ্ছে। তেহরানের বৈশ্বিক আর্থিক কর্মকাণ্ডকে লক্ষ্য করে নেয়া এই উদ্যোগের আওতায় দেশটির তেল খাতসহ সব ধরনের আয়ের উৎস বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে।পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ ও কোম্পানিকে ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক না রাখতেও চাপ দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ধারাবাহিক পোস্ট দেন ক্রিস মারফি। সেখানে তিনি নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘হতাশাজনক লোকদেখানো পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, যুদ্ধে ইরান সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে, আর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি ব্যর্থতায় পরিণত হয়েছে।

মারফির দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তা পূরণ হয়নি। বরং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো ইরানের হাতে রয়েছে।

মার্কিন সামরিক সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই সিনেটর। তার দাবি, অভিযানের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গোলাবারুদসহ বিভিন্ন যুদ্ধসরঞ্জামের মজুত কমে গেছে।

মারফি বলেন, “সামরিক অভিযান থেকে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পর সেই ব্যর্থতা আড়াল করতেই নতুন অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তার মতে, এতে এমন একটি বার্তা দেয়ার চেষ্টা চলছে যে যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ”

মার্কিন সিনেটরের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং এতে তেহরানই জয়ী হয়েছে। তার মতে, নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই বাস্তবতা পরিবর্তন করতে পারবে না; বরং এর আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত মার্কিন নাগরিকদের ওপরই পড়বে।

আরো..