https://www.a1news24.com
২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৫৯

শোষণমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশই আমাদের অঙ্গীকার: মির্জা আলমগীর

শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এমন একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত জীবনযাত্রার নিশ্চয়তা পাবেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান বিশ্বজুড়েই গণতন্ত্র নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

তবে আমরা একটি উদার ও বহুত্ববাদী গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো চর্চা ও লালনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা এবং একটি প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক মানবিক সমাজ গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে দেশের শিল্প ও কৃষি খাতের উন্নয়নে কর হ্রাসসহ বিভিন্ন শুল্ক সুবিধা প্রদান করেছে। বিশেষ করে সৃজনশীল অর্থনীতি এবং তৃণমূলের দেশজ উৎপাদনকে মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে নানামুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সংসদীয় ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ‘রেইনবো নেশন’ বা রংধনু জাতি গঠনে বিশ্বাসী। দেশের প্রতিটি স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমাদের দল থেকে এবার জাতীয় সংসদে সাঁওতাল, মারমা ও চাকমা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে এবং যৌথ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর।

মির্জা ফখরুল বলেন, এদেশের মানুষ সবসময় অধিকার আদায়ে আপসহীন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জণগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এমন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো, যা হবে সম্পূর্ণ শোষণমুক্ত এবং যেখানে প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো..