ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনির শোক র্যালি শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিতে লাখ লাখ মানুষ রাজধানী তেহরানে সমবেত হয়েছেন।
সোমবার সকাল থেকে র্যালিটি শুরু হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইআরআইবি তাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম পোস্টে জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানে খামেনির জানাজা ও শোক র্যালিতে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জনসমাগম হয়েছে। সকাল থেকেই তেহরানের রাস্তায় শোকার্ত মানুষের ঢল নেমেছে।
সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্স থেকে শোক র্যালি শুরু হয়। এই কমপ্লেক্সে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খামেনির মরদেহ দুই দিন রাখা হয়েছিল।
চার দেশে হবে বিদায় অনুষ্ঠান
ইরাকেও হবে শেষ বিদায়: কোম নগরীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার লাশ বিমানে করে প্রতিবেশী দেশ ইরাকে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে শিয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র শহর নাজাফ এবং কারবালার পবিত্র মাজারগুলোতে বিশেষ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
মায়োফানে দাফন বৃহস্পতিবার : ইরাকের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার লাশ পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। ওই দিন মাশহাদ শহরে আরেকটি শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মধ্যযুগীয় একজন শিয়া ইমামের মাজারের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
নিরাপত্তা ও ব্যাপক প্রস্তুতি : আসন্ন দিনগুলোতে এই শোক মিছিলে লাখ লাখ মানুষের সমাগম করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। সাধারণ মানুষের অংশ নেওয়া সহজ করতে পরিবহন, খাবার ও আবাসন ব্যবস্থার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত জোরদার করা হয়েছে। তেহরানসহ অন্যান্য শহরের আকাশসীমায় সাময়িকভাবে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল যদি পুনরায় কোনো হামলা চালায়, তবে তার তীব্র জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।