হলিউডের অতিপ্রাকৃত গল্পের সিনেমা ‘দ্য মমি’ দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে। স্টার সিনেপ্লেক্সে শুক্রবার থেকে চলছে সিনেমাটি।মাল্টিপ্লেক্সটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্টার সিনেপ্লেক্সের আটটি শাখায় সিনেমাটির ১২ টি শো চলছে।
‘দ্য মমি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির এই নতুন সংস্করণ সিনেমাটি পুরোনো অ্যাডভেঞ্চারধর্মী ‘মমি’ সিনেমাগুলো থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।লি ক্রোনিন পরিচালিত এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন জ্যাক রেনর, লাইয়া কস্তা, মে ক্যালামাউই, নাটালি গ্রেস, ভেরোনিকা ফ্যালকনসহ অনেকে।
এক সাংবাদিক বাবা এবং তার পরিবারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে চিত্রনাট্য। একটি সুখী পরিবারের গল্প প্রথমে দেখা হয়।এএকদিন তাদের ছোট মেয়েটি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায় না। এই ঘটনাটি পুরো পরিবারকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। আট বছর পর হঠাৎ একদিন সেই মেয়েটিকে মরুভূমির একটি এলাকায় পাওয়া যায়। তখন দেখা যায়, বেঁচে থাকলেও ওই মেয়েটির বয়স বাড়েনি। সে যেন সময়ের বাইরে কোথাও ছিল।
পরিবার মেয়েটিকে ফিরে পেয়ে খুশি হলেও কিছু অদ্ভুত বিষয় সবার চোখে পড়ে। মেয়েটি বাড়ি ফেরার পর তার শীতল আচরণ এবং অদ্ভুত কথা বলতে থাকে। রাতে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে। তার শরীরে ধীরে ধীরে পরিবর্তন শুরু হয়। মনে হতে থাকে, মেয়েটি পুরোপুরি মানুষ নয়। পরিবার ও এক তদন্তকারী দল বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। তারা বুঝতে পারে, মেয়েটি কোনোভাবে প্রাচীন এক শক্তির সঙ্গে জড়িয়ে গেছে।
গল্প এগোতে থাকলে মেয়েটির শরীর ধীরে ধীরে মমির মত হয়ে যায়। সে অস্বাভাবিক ক্ষমতা দেখাতে শুরু করে। তার উপস্থিতি ঘরে ভয়ংকর প্রভাব ফেলে। পরিবার বুঝতে পারে তারা যাকে ফিরে পেয়েছে, সে তাদের মেয়ে নয়, অন্য কিছু। মা বিশ্বাস করতে চায় না যে মেয়েটি বদলে গেছে। বাবা বাস্তবতা মেনে নিতে শুরু করে। কিছু পরিবারে ভাঙন ধরে যায়। ভয় আর ভালোবাসা একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়। রহস্য পুরোপুরি ভয়ংকর রূপ নেয়। মেয়েটির রূপান্তর প্রায় সম্পূর্ণ হয় এবং পরিবারকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় তখন।
চিত্রনাট্য আগের ‘মমি’ সিনেমার মত অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার না হয়ে পারিবারিক ট্র্যাজেডি ও হরর হওয়ায় দর্শকদের কৌতূহলী করেছে।