https://www.a1news24.com
২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৫৩

২০২৬ সালের নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বড় অগ্রগতি, তবে কিছু উদ্বেগও রয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশের ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল বিশ্বাসযোগ্য, দক্ষভাবে পরিচালিত এবং গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিশনের প্রধান ইভারস ইজাবস বলেন, “একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া কীভাবে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে পারে, এই নির্বাচন তার বাস্তব উদাহরণ।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো দেশটিতে তুলনামূলকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা অনেকাংশে বজায় ছিল।

তবে প্রতিবেদনে কিছু চ্যালেঞ্জও তুলে ধরা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে বিচ্ছিন্ন সহিংসতা এবং অনলাইনে ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার নির্বাচনী পরিবেশকে আংশিকভাবে প্রভাবিত করেছে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এখনো সীমিত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ইইউ মিশন বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করে জানায়, তারা স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে এবং জনআস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ইজাবস বলেন, “শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, স্বচ্ছ গণনা এবং ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করে যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে।”

নির্বাচনটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের সঙ্গে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০২৫ সালের কিছু সংশোধনী নির্বাচনকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রহণযোগ্য করতে সহায়তা করেছে।

তবে ইইউ মিশনের মতে, বাংলাদেশের নির্বাচনী আইনগত কাঠামো এখনো পুরোপুরি শক্তিশালী হয়নি এবং কিছু অস্পষ্টতা ও দুর্বলতা রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে সমাধান করা প্রয়োজন।

আরো..