https://www.a1news24.com
৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:১১

১০৮ জন নাগরিক এর প্রতিবাদলিপি : পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা চলবে না

হরিজনদের মৌলিক অধিকারের পক্ষে সোচ্চার হোন

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মিনিয়ালস কোয়ার্টার (সুইপার কলোনী)-এ বসবাসরত হরিজন সম্প্রদায়সহ কর্মচারীদের পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়া বেআইনিভাবে উচ্ছেদ নোটিশ ও ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্নের আদেশের বিরুদ্ধে ১০৮ জন নাগরিক প্রতিবাদলিপি দিচ্ছেন।

আমরা, নাগরিকবৃন্দের পক্ষ হতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মেনিয়ালস কোয়ার্টারে (সুইপার কলোনি) বংশপরম্পরায় বসবাসরত পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হরিজন সম্প্রদায়সহ কর্মচারীদের কোনো প্রকার বিকল্প পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়া বেআইনিভাবে উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান এবং ইউটিলিটি সংযোগ (পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস) বিচ্ছিন্নের আদেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আমরা অবগত হয়েছি যে, ১৮৫৮ সালে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই বাংলাদেশ হরিজন সম্প্রদায়ের সদস্য ও তাঁদের পরিবারগুলো (প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রায় ১৬৮ বছর যাবত) এই মিনিয়ালস কোয়ার্টারে বসবাস করছেন এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।এখানে বসবাসকারি মোট পরিবার ৬০টি (এর মধ্যে ৪টি মুসলিম পরিবার রয়েছে)। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২ জন যারা বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে অধ্যয়নরত। বসবাসকারীদের মধ্যে সরকারী স্থায়ী চাকুরীজীবী ৩১ জন, সরকারী অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবী ২৮ জন, আউটসোর্সিং কর্মচারী ১৯ জন।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত ৩০ জুলাই, ২০২৬ তারিখে একটি প্রশাসনিক নোটিশ জারি করে ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে কলোনির সকল বাসিন্দাকে কোয়ার্টার খালি করার চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করেছে। এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ সকল মৌলিক ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভবন অপসারণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কথা বলা হলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের জন্য কোনো পুনর্বাসনের পরিকল্পনা দেওয়া হয়নি, এমনকি নোটিশ পাওয়ার পর তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে তাদের সাথে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয় বলে বাসিন্দারা অভিযোগ জানিয়েছেন। বিকল্প পুনর্বাসন ছাড়া ১৬৮ বছরের বসবাসকারী হরিজনদের উচ্ছেদের নোটিশ ৬০টি পরিবারকে মানবিক সংকটে ফেলেছে। হরিজন সম্প্রদায় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা শত বছর ধরে এই ঐতিহ্যবাহী হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা সেবা দিয়ে আসছেন। করোনা মহামারীর মতো চরম সংকটকালেও তাঁরা নিজেদের জীবন ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ আজ বিকল্প আবাসন ও স্থায়ী পুনর্বাসনের কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই অত্যন্ত অমানবিকভাবে এই প্রান্তিক পরিবারগুলোকে বলপূর্বক গৃহহীন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আমরা স্পষ্ট করে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, এই ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের সংবিধান, দেশের সুপ্রিম কোর্টের নজির এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১৫ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা এই অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। হরিজন সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে সমাজে অবহেলিত ও প্রান্তিক। সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং জাতি, লিঙ্গ, ধর্ম বা পেশার ভিত্তিতে কারো সঙ্গে বৈষম্য করা নিষিদ্ধ।

উপযুক্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে ঐতিহ্যবাহী হরিজন বাসিন্দাদের উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান করা বাংলাদেশ সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং ৩২ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকারের পরিপন্থী। উক্ত বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রায় ১৬৮/১৭০ বছর ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে বসবাস করে আসছেন। তাদের পূর্বপুরুষরা হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কোয়ার্টার বরাদ্দ পেয়ে সেখানে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তারা একই স্থানে বসবাস এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা সেবায় নিয়োজিত থেকে আসছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসবাসের বিষয়টি স্বীকার করে আসায় উক্ত কোয়ার্টারই তাদের একমাত্র স্থায়ী ঠিকানায় পরিণত হয়েছে এবং তাদের গ্রামের কোনো বিকল্প বাড়ি বা জমি নেই। ফলে কোনো ধরনের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া তাদের উচ্ছেদ করা হলে তারা কার্যত গৃহহীন ও চরম মানবিক সংকটের মধ্যে পড়বেন।

দীর্ঘস্থায়ী ও অনুমোদিত বসবাস, হাসপাতালের প্রতি তাদের প্রজন্মগত সেবা এবং কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের স্বীকৃতি ন্যায়সংগত প্রত্যাশার নীতি সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্র বা সরকারি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যক্তির দীর্ঘদিনের স্বীকৃত অবস্থান ও জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করার পূর্বে ন্যায্যতা, যৌক্তিকতা এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ করতে বাধ্য। অতএব, যথাযথ নোটিশ, শুনানির সুযোগ এবং মানবিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদের উদ্যোগ আইনের শাসন ও ন্যায্য প্রশাসনিক কার্যক্রমের পরিপন্থী।

উক্ত বাসিন্দারা সাধারণ অবৈধ দখলদার নন; বরং তারা হাসপাতালের অপরিহার্য পরিচ্ছন্নতা সেবার সাথে যুক্ত কর্মীদের উত্তরাধিকারী, যাদের বসবাসের সূচনা হয়েছিল কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে। তাই তাদের উচ্ছেদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সম্পত্তির মালিকানা বিবেচনা না করে তাদের দীর্ঘদিনের সেবা, সামাজিক অবস্থান, বিকল্প আবাসনের অনুপস্থিতি এবং মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা আবশ্যক। কোনো বিকল্প আবাসন বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া দীর্ঘদিনের বসবাসরত একটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করা ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির পরিপন্থী।

বাংলাদেশ সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র এর ২৫ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সনদ-এর ১১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত পর্যাপ্ত জীবনযাত্রার মান ও আবাসনের অধিকারের নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সনদে (ICESCR – Article 11): অনুস্বাক্ষরকারী একটি দেশ। এই সনদের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী উপযুক্ত আবাসন পাওয়া মানুষের অন্যতম অধিকার এবং বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া ‘জোরপূর্বক উচ্ছেদ’ (Forced Eviction) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।

এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ঐতিহাসিক রায়গুলোতে (Ain o Salish Kendra v. Government of Bangladesh, 19 BLD 1999) স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে—উপযুক্ত বিকল্প আবাসন ও পর্যায়ক্রমিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়া কাউকে বাসস্থান থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না।

 

অতএব, দীর্ঘ ১৬৮/১৭০ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন বসবাস, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা সেবায় তাদের ঐতিহাসিক অবদান, কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের অনুমোদন, বিকল্প আবাসনের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি এবং পুনর্বাসন ব্যতীত উচ্ছেদের সম্ভাবনা বিবেচনা করলে, উচ্ছেদ নোটিশটি আইনগত, সাংবিধানিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নবিদ্ধ। অতএব যথাযথ পুনর্বাসন, ন্যায্য শুনানি এবং মানবিক বিবেচনা ব্যতীত কোনো উচ্ছেদ কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। আমরা তাই দাবি করছি—–

১. সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে উচ্ছেদ নোটিশ কার্যকর স্থগিত করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য স্থায়ী ও উপযুক্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত কোনো উচ্ছেদ বা ভবন অপসারণ কার্যক্রম চালানো যাবে না।

২. বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ও বাসরত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এই কার্যক্রমে স্থানীয় হরিজন প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন

1. অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

2. ডঃ সামিনা লুৎফা নিত্রা, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

3. মেঘনা গুহঠাকুরতা, গবেষক

4. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া — আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

5. কাজলী সেহরীন ইসলাম , শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

6. ঈশিতা দস্তিদার ,গবেষক ও লেখক

7. মোশাহিদা সুলতানা , শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

8. সায়েমা খাতুন , মুক্ত নৃবিজ্ঞান গবেষক ও লেখক, উইস্কনসিন, যুক্তরাষ্ট্র

9. বীথি ঘোষ, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক

10. পাভেল পার্থ — লেখক ও গবেষক

11. সায়দিয়া গুলরুখ, সাংবাদিক

12. ব্যারিস্টার সারা হোসেন, আইনজীবি, ব্লাস্ট

13. খুশী কবীর, সংগঠক, নিজেরা করি

14. শিরীন পারভিন হক, নারীপক্ষ

15. মুক্তাশ্রী চাকমা, অধিকারকর্মী ও গবেষক

16. নাসরিন সিরাজ্, নৃবিজ্ঞানী এবং চলচ্চিত্রনির্মাতা

17. জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ

18. ডঃ স্বপন আদনান, সাবেক অধ্যাপক ও গবেষক

19. মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ,সাবেক ভিপি, ডাকসু

20. হারুন – অর- রশিদ , সাধারণ সম্পাদক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদ

21. আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)

22. ফেরদৌস আরা রুমী, মুখপাত্র, এনপিএ

23. সাদরুল হাসান রিপন, সদস্য, শ্রেণিসংগ্রামের পথ

24. সত্যজিৎ বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন।

25. সীমা দত্ত, সভাপতি, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র

26. তমাশ্রী দাস — সদস্য, রেড ফেমিনিস্ট ব্লক

27. অমল ত্রিপুরা, সদস্য, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)

28. রেহনুমা আহমেদ, লেখক

29. মানস নন্দী, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি

30. অনুপ কুণ্ডু — রাজনৈতিক কর্মী,সদস্য, ঢাকা নগর কমিটি, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ।

31. ডা. নাজমুস সাকিব — সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

32. জলি তালুকদার — রাজনৈতিক কর্মী

33. আকরাম খান চলচ্চিত্রকার

34. সজীব তানভীর, চলচ্চিত্রকার

35. গীতা দাস — আন্দোলন সম্পাদক, নারীপক্ষ।

36. শহীদুল ইসলাম সবুজ — সাধারণ সম্পাদক, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম, কেন্দ্রীয় কমিটি

37. তামজীদ হায়দার চঞ্চল , সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

38. রাফিকুজ্জামান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

39. ছায়েদুল হক নিশান, সভাপতি, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল।

40. ফাহিম আহমদ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল।

41. জামসেদ আনোয়ার তপন — সাধারণ সম্পাদক, উদীচী

42. নজীর আমিন চৌধুরী জয় — সাবেক সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

43. এ্যাডভোকেট নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী — সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র কেন্দ্রীয় কমিটির

44. সুস্মিতা পৃথা, লেখক ও সংগঠক

45. মরিয়ম রুপা, আলকচিত্রী ও থিয়েটার কর্মী

46. ফাতেমা শুভ্রা, শিক্ষক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

47. দীনা সিদ্দিকী, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি

48. মোজাম্মেল হক — আহ্বায়ক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

49. রাজু আহমেদ — সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, কেন্দ্রীয় কমিটি

50. অধ্যাপক ড. পারভীন জলী — ইতিহাসবিদ

51. নুরুন নাহার বেগম, মানবাধিকারকর্মী

52. আরিফ রহমান — লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী

53. নির্ণয় ইসলাম — প্রভাষক, ব্র্যাক বিশ্ব বিদ্যালয়

54. কাব্য কৃত্তিকা — প্রভাষক, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়

55. বিক্রমাদিত্য — শিক্ষক

56. কামরুজ্জামান রিপন — উন্নয়ন কর্মী

57. হুমায়ূন আজম রেওয়াজ — সংস্কৃতিকর্মী

58. নাদিরা নওশের, গবেষক এবং মানবাধিকারকর্মী

59. পূরবী তালুকদার — অধিকারকর্মী

60. অলিক মৃ — অলিক মৃ, কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য ,এনপিএ

61. মোঃ ইকরামুল হক খান — গ্র্যাজুয়েট টিচিং এসিস্টেন্ট, ইউনিভার্সিটি অব নেভাদা লাস ভেগাস

62. প্রাপ্তি তাপসী — শিক্ষক, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়

63. মুশতাক হোসেন — স্থায়ী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ জাসদ

64. সোয়েব মাহমুদ — কবি

65. রুবেল চন্দ্র দাস — অধিকারকর্মী

66. কাজী সুফিয়া আখতার — ফেমিনিস্ট এক্টিভিস্ট

67. জবা তালুকদার — পরিবেশকর্মী

68. রিয়াজুর রহমান — একজন শিক্ষার্থী

69. রাশেদ শাহরিয়ার — আহ্বায়ক, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট

70. খুরশীদ আহমাদ ফরহাদ — সাবেক ছাত্র সংগঠক

71. সুস্মিতা রায় সুপ্তি — সংগঠক,চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

72. রাহাত মুস্তাফিজ — লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট

73. কাজী ফরিদ — অধ্যাপক, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কূষি বিশ্ববিদ্যালয়

74. নাজমুল আহমেদ — চিকিতসক

75. অনুপম সৈকত শান্ত — লেখক ও এক্টিভিস্ট

76. মনীষা ওয়াহিদ — সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

77. এস এম শুভ — প্রধান সমন্বয়ক, চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র

78. নিবিড় — গবেষক, শিল্পী

79. ডাঃমজিবুল হক। — আহ্বায়ক, হেলথ্ সার্ভিস ফোরাম।

80. সারা আফরীন, স্থপতি, ফিল্মমেকার এবং যোগাযোগকর্মী

81. মো হাসিবুর রহমান, লেখক ও গবেষক

82. মন্টি চাকমা — সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হিল্ উইমেন্স ফেডারেশন।

83. আমিনা সুলতানা সোনিয়া, নারীবাদী সংগঠক এবং মানবাধিকারকর্মী

84. মামুন আল রাশীদ — সহযোগী অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স

85. এম শাহরিয়ার মাহমুদ রাফি — গবেষক, ইনোভেশন ল্যাব

86. রাণী ইয়েন ইয়েন — আদিবাসী অধিকার সুরক্ষাকর্মী

87. নুর নবী দুলাল — লেখক ও এক্টিভিস্ট

88. ইসাবা শুহ্‌রাত — গবেষক, দৃক

89. ফারহানা শারমীন ইমু — স্থপতি, মানবাধিকার কর্মী

90. ইসরাত জাহান, মানবাধিকার আইনজীবি ও একটিভিস্ট

91. উৎপল বিশ্বাস — সদস্য, জাতপাত বিলোপ জোট

92. মশিউর রহমান খান — সাংগঠনিক সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাকা নগর শাখা

93. সৈয়দ বাবুল, প্রবাসী

94. তাহমিনা ইয়াসমিন, সাংস্কৃতিক সংগঠক

95. পারাস এস সাজিদ, লেখক

96. কুর্নিকোভা চাকমা — সদস্য, বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ

97. পাত লাই ম্রো — শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

98. অর্জন চাকমা, শিক্ষার্থী

99. সুর্মী চাকমা — শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

100. ফাত্তাহ সিয়াম — শিক্ষার্থী

 

101.সাদমান আহমেদ — শিক্ষার্থী

102. পূজা রানী দাস — মিরনজিল্লা ভূমি রক্ষা কমিটি নারী সদস্য

103. সুরেশ বাসফোর — সভাপতি, বাংলাদেশ হরিজন অধিকার আদায় সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটি।

104. মানস মেহেদী — চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক

105. আবেদা গুলরুখ, আইনজীবি

106. অনুশ্রী রায়

107. শিবলি আনোয়ার

108. মারজিয়া প্রভা, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

আরো..