মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ আরও বৃদ্ধির প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বেশ ভালোভাবেই পড়তে শুরু করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকা এবং এটা খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারবাজারে অস্থিরতা এবং তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ঘিরে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে। আর এর প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজার ও তেলের দামে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কায় বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে, একই সঙ্গে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। তা না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি। এই সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
ব্রেন্ট ক্রুড তেলের ফিউচার ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১০.১৯ ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের ফিউচার ০.৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩.৩১ ডলারে।
এদিকে শেয়ারবাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক শুরুতে কিছুটা বাড়লেও পরে তা কমে ০.২ শতাংশ নিচে নেমে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার সেকেন্ডারি ট্রেডিং বোর্ড কসডাক মঙ্গলবার ০.৭৫ শতাংশ কমে যায়।