https://www.a1news24.com
১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:০৩

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১০১

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০১ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৮০ শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছে আরও ১ হাজার ২১ শিশু।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৮০৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯৯ শিশুর। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০৮।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৬৩ শিশু। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮৫০ শিশু। ফলে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসাধীন রোগীর চাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৭। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৮৮০ জনের।

এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৭ রোগী। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩৯ জন। অর্থাৎ আক্রান্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের একটি বড় অংশ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও নতুন রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলমান হাম পরিস্থিতিতে শিশুদের মধ্যে রোগের বিস্তার এবং মৃত্যুর ঘটনা এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে সতর্কতা রয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ৯০৮ শিশুর মৃত্যু, ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি সন্দেহজনক রোগী এবং ১৭ হাজার ৮৮০ জনের নিশ্চিত হাম শনাক্ত হওয়ার তথ্য থেকে দেশে চলমান হাম পরিস্থিতির ব্যাপ্তি স্পষ্ট হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে নতুন আক্রান্ত, মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ও ছাড়পত্র পাওয়া রোগীর সংখ্যা নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে।

আরো..