সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট ৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিটি মানুষই শ্রমিক, আমি নিজেও শ্রমিক, কারন আমরা সবাই কাজ করে খাই। দেশে স্বৈরাচারের পতন হলেও ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য চক্রান্ত করছে, ককটেল হামলা করছে, গাড়ি ভাংচুর করছে। দেশের জনগণ যাকে বিতাড়িত করেছে সে আর কখনো দেশে আসবে না। জনগণ তাকে দেশে ফিরতে দেবে না। ককটেল ও চোরাগুপ্তা হামলা করে আপাকে দেশে আনা যাবে না। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের দেশ এশিয়ার মধ্যে মডেল হবে। বাংলাদেশ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবে।
রোববার বিকেলে সিলেট জেলা শ্রমিকদলের উদ্যোগে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী নগরীর কোর্ট পয়েন্ট আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সনাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ শুধুমাত্র বিদ্যুৎখাতেই দেড়লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে, অর্থ পাচার করে তারা দেশকে বিদ্যুৎ সংকটে ফেলেছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদ্যৎ সমস্যা সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারনে তেলের পরিবহন খরচ বেড়েছে, যেকারনে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। যুদ্ধ শেষ হলে তেলের দামও কনে যাবে ইনশাআল্লাহ।
সিলেট জেলা শ্রমিকদলের সদস্য সচিব নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নজরুল ইসলাম লিটনের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা ও বিভিন্ন ইউনিট নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রায়হানুজ্জামান চৌধুরী, বাচ্ছু মিয়া, নিজাম উদ্দিন নিজাম, ময়নুল ইসলাম চৌধুরী অপু, শাহজাহান, ইসরাত জাহান খোকন, আবুল হোসেন প্রমূখ।