ইসমাইল হোসেন, মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ৫ই আগস্ট ২০২৪ হাসিনা সরকার ছাত্র জনতার আন্দোলনের তোপের মুখে পালিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পরপরই সারাদেশে যখন একদিকে আনন্দের বন্যা বইছে অন্য দিকে একদল কুচক্রি মহল জালাও পোড়াও ভাঙচুর নিয়ে ব্যস্ত। ঠিক সে মূহুর্তে মেহেরপুরে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মেহেরপুর ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন মেহেরপুর কে শান্ত রাখার জন্য শক্ত হাতে একদল কুচক্রি মহল কে দমন করে। মেহেরপুর পৌর শহরের কতিপয় স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ হলেও পরে দলের নেতাকর্মী নিয়ে বিকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে টহল দেন। সেদিন পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তার অভাবে চুপ থাকলেও মাসুদ অরুন চুপ থাকেনি। শহরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ গুলো দলের নেতাকর্মীদের দিয়ে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ঐদিন রাতে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক শামীম হাসান ও সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলে সদর থানায় যেয়ে দায়িত্বরত ওসি কনি মিয়ার সাথে মিটিং শেষে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে রাতেই প্রশাসন কে মাঠে নামিয়ে টহলের ব্যবস্থা করেন এবং নিজেও নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে টহল দিতে থাকেন। ঐদিন শক্ত হাতে যদি দমন না করতেন তাহলে শহরে অনেক আওয়ামীলীগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি পর্যন্ত উসৃঙ্খল জনতা বড় রকমের দূর্ঘটনা ঘটে দিত। মেহেরপুর কে শান্ত রাখার জন্য ঐদিন মাসুদ অরুনের ব্যাপক ভূমিকা ছিল যা চোখে পড়ার মত। এ খবর যখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তখন অনেক আওয়মীলীগ নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। শহরের বেশ কয়েক যায়গায় অগ্নি সংযোগ ঘটলেও সেদিন মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসের সাথে অনেকে যোগাযোগ করেও তাদের কোন ভূমিকা দেখা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস থেকে জানানো হয় তাদের নিরাপত্তার অভাবে সেদিন তারা বের হয়নি। পরে মধ্য রাতে মাসুদ অরুন ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিয়ে তাদের নিরাপত্তার কথা নিশ্চিত করে অগ্নি নির্বাপকের জন্য সেদিন ফায়ার সার্ভিসের টিমকে মাঠে নামায়। পরবর্তীতে মেহেরপুরে শান্তি ফিরে আসে। হিন্দু সম্প্রদায়দের ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে মেহেরপুরে ব্যপক ভূমিকা রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাসুদ অরুন ও পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। কোন প্রকার যাতে তাদের ধর্মীয় উৎসবে কেউ কোন প্রকার হানা দিতে না পারে তার জন্য মেহেরপুর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ও পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে পূজা মন্ডপ গুলোতে স্বেচ্চাসেবক কমিটি করে রাত ভোর পাহারার ব্যবস্থা করেন। হিন্দু সম্প্রদায় তাদের বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজা শান্তি প্রিয় ভাবে সমাপ্ত করেন। মাসুদ অরুন সহ দলের শীর্ষ পদের নেতাকর্মীরাও সেদিন মাসুদ অরুনের সাথে ব্যপক ভূমিকা পালন করেন।
৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, রাত ১:২৯