টি.আই সানি,শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় নিজ জমিতেই চাষ করতে গিয়ে এক কৃষক বাধার মুখোমুখি হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই কৃষক আ: মান্নান শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের গলদাপাড়া গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিন শেখের ছেলে। একই এলাকার হাবিবুল্লা খানের ছেলে মফিজ উদ্দিন তাকে জমি চাষে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই কৃষক ।
এ ঘটনায় ৩ আগস্ট শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর তিন জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত করে একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই কৃষক আ: মান্নান । অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার হাবিবুল্লা খানের ছেলে মফিজ উদ্দিন ও মফিজ উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর ও জাহিদ হাসান।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায় এবং আ: মান্নান বলেন,দীর্ঘদিন যাবৎ আমার সাথে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়া শত্রুতা পোষন করিয়া আসিতে থাকে। উক্ত আক্রোশে আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনকে রাস্তা ঘাটে মারপিট সহ খুন জখম করিয়া ফেলিবে বলিয়া হুমকি প্রদান করিয়া আসিতে থাকে। এমনকি বিবাদীগন আমাকে প্রায় সময় বারাতোপা বাজারে পাইয়া মারপিট করার চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২ আগস্ট দুপুর অনুমান ১.৪০ টার সময় মফিজ উদ্দিন তার ছেলেদেরকে সাথে নিয়ে আমার বাড়ীর সামনে আসিয়া আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তখন আমি প্রতিবাদ করিলে আমাকে মারপিট করিতে উদ্যত হয়। তখন গালিগালাজ শুনিয়া আমার ছেলে ও আমার স্ত্রী আগাইয়া গেলে আমাদেরকে রাস্তা ঘাটে সুযোগমত পাইলে খুন করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে বলিয়া হুমকি দিয়া চলি যায়। বিষয়টি নিয়ে আমি এবং আমার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছি তাই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি ।
এবিষয়ে অভিযোক্ত মফিজ উদ্দিন বলেন, এই ভিটাতে অনেক জমি এখান থেকে আমি জমি ক্রয় করে মালিক হয়েছি,আমি যতটুকু ক্রয় করেছি এর বেশি তো আর নেওয়ার সু—যোগ নেই,এখানে আমার ক্রয়কৃত জমিতে আ: মান্নান দকল করে রেখেছে। আমার কথা হলো আ: মান্নান জমি কাগজ মূলে যতটুকু পাবে সে ততটুক খেতে পারবে বাকি জমি তার ছেড়ে দিতে হবে,কাগজ নিয়ে বসে মাপযোগ করার জন্য একাদিক বার আ:মান্নাকে বরা হয়েছে সে কাগজ নিে্যয় বসেনা। আমার বিরুদ্ধে যে অবিযোগ করেছে সম্পন্ন মিথ্যা অবিযোগ করেছে।
শ্রীপুর থানার ভারপপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন,লিখিত অভিযোগ পেয়েছি ঘটনাস্তলে পুলিশ গিয়ে পরিদর্শ করে আশার পর ঘটনার সত্যতা পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।