https://www.a1news24.com
২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:০১

যেভাবে বুঝবেন মানসিক অবসাদে ভোগার চিকিৎসা ঠিক মতো হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক: অতিমাত্রায় বিষাদে ভোগার লক্ষণ বুঝতে কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
‘বাইপোলার ডিজঅর্ডার’ বা মানসিক অবসাদগ্রস্ততায় ভোগার লক্ষণ হল তীব্রভাবে হতাশ ও বিষাদগ্রস্ত থাকা, এমনকি আশা হারিয়ে ফেলা।

তবে শুধু অবসাদ নয়, এই মানসিক সমস্যার কারণে অতিমাত্রায় উত্তেজনা (ম্যানিয়া) থেকে চরম হতাশা বা বিষণ্নতা (ডিপ্রেশন) কাজ করে।

“এই মানসিক সমস্যা সম্পর্ক, চিন্তাভাবনা কোনোর লক্ষ্য অর্জন করা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়”- সিএনএন হেল্থডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মন্তব্য করেন মার্কিন ফার্মাসিস্ট সারাহ লুইস।

অতিমাত্রায় উত্তেজিত থাকার লক্ষণগুলো হল

অতিরিক্ত উত্তেজনা বা এনার্জি বোধ করা।
অস্থির বোধ।
অতিমাত্রায় সুখ বা উত্তেজনা বোধ করা।
বিরক্ত হওয়া বা উৎকণ্ঠায় ভোগা।
ঘুম কম।
এলোমেলো চিন্তা।
বিষণ্নতার লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে

দুখী থাকা, আশাহীন, শূন্যতা বা মূল্যহীন লাগা।
বিস্মৃতি।
অতিরিক্ত বা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঘুমানো।
কাজে আগ্রহের অভাব।
দুর্বলবোধ।
মনোযোগ দিতে সমস্যা।
এই সমস্যা সমাধানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।

সারাহ লুইস বলেন, “চিকিৎসা চলার সময় পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে কিনা, বোঝার জন্য কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ রাখা উচিত। তুলনামূলক কম উত্তেজনা বোধ করা হয়ে পারে ইতিবাচক প্রভাব।”

চিকিৎসা পদ্ধতি কাজ করছে কি-না সেটা বোঝার জন্য অন্যান্য বিষয়গুলোর মধ্যে আছে

মানসিক অস্থিরতা অল্পতেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারা।
মানসিক স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী হওয়া।
“এসব লক্ষণের বিপরীত পরিস্থিতি ঘটলে বুঝতে হবে চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিকমতো কাজ করছে না”- বলেন লুইস।

চিকিৎসার ফলাফল বুঝতে তিনি ডায়রিতে তথ্য ও লক্ষণ টুকে রাখার পরামর্শ দেন।

ফলাফল জিজ্ঞেস করা

বন্ধু ও পরিবারের সদস্যার এক্ষেত্রে সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের কাছে জিজ্ঞেস করে বুঝে নেওয়া যাবে পরিস্থিতির উন্নতি কতটা হয়েছে।

কারণ তারই ব্যবহারের পরিবর্তনগুলো ভালো মতো ধরতে পারবেন।

ওষুধ খাওয়া

এই ধরনের মানসিক চিকিৎসার পরবর্তী বিষগুলো হয় চ্যালেঞ্জিং। কারণ উপসর্গগুলো দেখা না দেওয়াতে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন অনেক রোগী।

তাই স্বজনদের বলতে হবে ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিতে। আর ওষুদে যদি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে ডাক্তারের পরামর্শে সেটা বদলানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ডাক্তারের সাথে কথা বলা

পরিবার বা বন্ধুদের দেওয়া তথ্য বা ওষুধ কাজ না করা কিংবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়া- যে কোনো কিছুর জন্য ডাক্তারের সাথে প্রতিনিয়ত কথা বলা জরুরি।ন্ডেন্ট,

আরো..