কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি-ভারতীয় নাগরিক রনঞ্জয় কৃষ্ণ দত্তের বিরুদ্ধে নিজ পরিচয় গোপন করে তিতাস গ্যাস কোম্পানির ডিজিএম এডমিন ও শ্রীগুরু সংঙ্ঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রম কাউখালীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৭ জুন) এমন একটি অভিযোগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনে করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রনঞ্জয় কৃষ্ণ দত্ত, তার স্ত্রী ছায়া দত্ত ও দুই ছেলে অর্ণব দত্ত ও আরিদ্র দত্ত ভারতে প্রায় ২৫ বছর যাবৎ রনঞ্জয় দত্তের ক্রয় কৃত বাড়ীতে বসবাস করে। রনঞ্জয় কৃষ্ণ দত্ত সহ সকলেই ভারতীয় নাগরিক রনঞ্জয় কৃষ্ণ দত্ত বাংলাদেশের ও নাগরিক। একই সাথে সে প্রায় ২০ বছর যাবত ভারতীয় নাগরিক। তিনি বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস অন্তর বাংলাদেশের বিভিন্ন বর্ডার ব্যবহার করে ভারতে যান। রনঞ্জয় কৃষ্ণ দত্ত তিতাস গ্যাস কোম্পানীর ডিজিএম এ্যাডমিন হিসেবে চাকুরীরত ও অবসরকালীন সময়ে (২০২২) দুর্নীতির মাধ্যমে প্রাপ্ত সকল অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করে। সেখানে তিনি ১ টি গাড়ি ৩ টি ফ্ল্যাট ও ১ টি বাড়ী তৈরী করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তার ভারতীয় পাসপোর্ট ও রয়েছে। সে তার এই কর্মকান্ড আড়াল করার জন্য শ্রীগুরু সংঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আশ্রম কাউখালী, পিরোজপুরের সাধারন সম্পাদক হয়েছেন। যাতে তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে অবাধে ভারতে অবসরকালীন টাকা ভারতে পাচার করতে পারে। অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন অভিযোগকারীরা। আরো জানাগেছে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে রনঞ্জয় কৃষ্ণ দত্তের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।