ক্রীড়া ডেস্ক: স্কোরবোর্ডে চোখ রাখলে মনে হতে পারে পাল্লেকেল্লের পিচ ব্যাটারদের জন্য কঠিন। বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে তোলে ১৫৪ রান। তবে ভুল ভাঙে শ্রীলঙ্কার ইনিংসে চোখ রাখলেই। এই পিচে স্বাগতিকরা যে কতটা সহজেই খেলেছে, সেটা বোঝা যায় তাদের উদ্বোধনী জুটির ৭৮ রানেই।
১৫৫ রানের লক্ষ্য পেয়ে কোনো হড়কচড় না খেয়ে শ্রীলঙ্কা জয় তুলে নেয় এক ওভার হাতে রেখে, ৭ উইকেটে। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল লঙ্কানরা। সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ হবে ১৩ ও ১৬ জুলাই।
বাংলাদেশের বোলাররা ম্যাচের শুরুতেই চাপে পড়ে যান। শ্রীলঙ্কা পাওয়ার প্লেতেই তোলে ৮৩ রান। কুশাল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কার উদ্বোধনী জুটি ৭৮ রান এনে দেয় দলের। ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করা মেন্ডিস শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে করেন ৭৩ রান, মারেন ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা।
নিশাঙ্কা করেন ৪২ রান। এছাড়া কুশাল পেরেরা ২৪ রান করে আউট হন রিশাদ হোসেনের বলে। শেষ দিকে আভিস্কা ফার্নান্দো ও চারিথ আসালাঙ্কা জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।বাংলাদেশের পক্ষে একটি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ শুরুর দিকে কিছুটা আক্রমণাত্মক ছিল। পারভেজ হোসেন ইমন খেলেন ২২ বলে ৩৮ রানের ঝলমলে ইনিংস। তবে অপরপ্রান্তে তানজিদ তামিম ধীরগতির ব্যাটিং করে চাপে ফেলেন দলকে, ১৭ বলে ১৬ রান করে আউট হন।
দ্রুত ফিরে যান লিটন দাস (৬), হৃদয় (১০) ও ইমনও (৩৮)। এরপর নাইম শেখ ও মেহেদী হাসান মিরাজ গড়েন ৪৬ রানের জুটি, তবে তা ছিল অত্যন্ত মন্থর গতির। মিরাজ ২৩ বলে করেন ২৯ রান, নাইম অপরাজিত থাকেন ২৯ বলে ৩২ রান করে।
শেষদিকে শামীম হোসেন পাটোয়ারি ৫ বলে ১৪ রান করে দলের সংগ্রহ একটু বাড়ান, মেরেছেন দুটি ছক্কা।শ্রীলঙ্কার পক্ষে মহেশ থিকশানা নেন ২ উইকেট, আর নুয়ান থুশারা, দাসুন শানাকা ও জেফ্রে ভেন্ডারসে নেন একটি করে উইকেট।
সিরিজে টিকে থাকতে শেষ ম্যাচে জয় ভিন্ন কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। তবে এর আগে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ঘুরে দাঁড়াতে হবে টাইগারদের। না হলে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানো কঠিনই হবে।