https://www.a1news24.com
১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৪৩

‘বন্দর নিয়ে সরকারের তৎপরতা কেন জাতীয় স্বার্থবিরোধী?’ শীর্ষক গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির বিচার বিশ্লেষণ ও প্রতিবাদ সভা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: আজ সকাল ১০:৩০ এ ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আয়োজনে ‘বন্দর নিয়ে সরকারের তৎপরতা কেন জাতীয় স্বার্থবিরোধী?’ শীর্ষক বিচার বিশ্লেষণ ও প্রতিবাদ সভার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপ্রধান হিসেবে ভূমিকা পালন করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এবং বক্তব্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা ঋতু এবং আইনজীবি জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। পাশাপাশি এই সভায় এডভোকেট শফিউদ্দিন কবীর আবিদের তৈরি করা মুল বক্তব্যটি পাঠ করেন গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহমেদ চৌধুরী এবং মতামত প্রদান করেন একটিভিস্ট মারুফ বরকত।

মূল পাঠে বলা হয় যে, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ছিল– অতীতে আওয়ামী সরকার গনবিরোধী যে নীতিতে দেশ পরিচালনা করেছে তাতে পরিবর্তন আসবে। সরকার তার কার্যক্রম পরিচালনায় স্বচ্ছতা রাখবে এবং জনগনকে জবাববদিহি করবে। গত ২৭ নভেম্বর ২০২৫ অন্তর্বর্তী সরকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়ার চর ডেনমার্কের এপিএম টার্মিনালকে ৩০ বছরের জন্য এবং পানগাঁও বন্দর সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলডকে ২২ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। সন্দেহজনক রকম তাড়াহুড়ো, অনিয়ম এবং গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে একই দিনে তাড়াহুড়ো করে এ দুটি বন্দর বিদেশী কোম্পানীকে ইজারা দিয়েছে। মূল্যায়ন কমিটির বেশির ভাগ সদস্য এসব বিষয়ে অবগত ছিলেন না। জানতেন কেবল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের কয়েকজন নির্বাচিত সদস্য। উভয় মূল্যায়ন কমিটিতে আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ছিলেন একই ব্যক্তিরা। পিপিপি চুক্তি অত্যন্ত জটিল। এর প্রতিটি দিক, আইনগত বিষয়, কনসেশন শর্ত সবকিছুই পুরো কমিটিকে বসে বিশদভাবে পর্যালোচনা করতে হয়। এত দ্রুততার সঙ্গে, তাও একই টিম দিয়ে এভাবে কাজ করানো—এটি দেশের স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সভায় প্রয়োজন ছিল চারজন সদস্যের, ছিলেন মাত্র দুজন। একদিনে কারিগরী মূল্যায়ণসহ মাত্র দুই সপ্তাহে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন”।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন যে “ নিজেদের ঘোষণা অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকার আগামী দুই তিন মাসের বেশি ক্ষমতায় নেই। এ রকম একটা সরকার কি কারণে ৪০-৫০ বছরের এমন একটা চুক্তি করবে, যেটা পুরো অর্থনীতি ও দেশকে প্রভাবিত করবে এবং যার মধ্যে অনেক ধরনের উদ্বেগের বিষয় আছে৷” এ ধরনের চুক্তি করার জন্য সরকারের অস্থিরতা কেন, সেই প্রশ্ন তুলে আনু মুহাম্মদ বলেন, “তাদের অস্থিরতা থাকা উচিত ছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাজার ভাঙা, নারী নির্যাতন কিংবা বিভিন্ন জায়গায় মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, জনগণের অর্থনৈতিক ভোগান্তি বা বেকারত্বের ব্যাপারে, অথবা দুর্নীতির বিরুদ্ধে.৷ সেখানে তো তাদের হাত নড়েই না৷ এই যে এক জায়গায় তাদের মহানরম একটা ভাব, যে জায়গাটা জনগণের দরকার; আর যে জায়গায় জনগণ আতঙ্কিত, সেই জায়গায় তাদের শক্ত হাত- এটা কিন্তু একটা বড় ধরনের প্রশ্ন৷”

পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে নানা প্রচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রামপাল, রূপপুর বা মাতারবাড়ি কি বিদেশি বিনিয়োগ ছিল না? সে সময়ও একই ধরনের যুক্তি দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু সেগুলো তো দেশের বিপন্ন দশা তৈরি করেছে৷ কিন্তু এ ধরনের চুক্তি করা ও রক্ষার জন্য সে সময় আইন করা হয়েছিল, সেই চুক্তির তথ্য প্রকাশ না করার জন্য নানা রকম কায়দা-কানুন করা হয়েছে৷ ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ২০০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার এর পক্ষে ছিল বিশ্বব্যাংক, মার্কিন দূতাবাস, আইএফসি৷ তখন জ্যেষ্ঠ আমলাদের নিয়ে গঠিত কমিটি বন্দর মার্কিন কোম্পানিকে দিতে সুপারিশ করেছিল৷ ইজারা দিলে কার কর্তৃত্বে যায়, এগুলো তো আমরা জানি৷ এসব গল্প এখন যাঁরা বলছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকে তো প্রবাসী৷ প্রবাসী কিছু লোক এসে কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন৷ তারা তো জানেনও না বাংলাদেশ সম্পর্কে৷ বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবির পরামর্শ অনুযায়ী বাংলাদেশে কাজ হচ্ছে কেন? এখানে পরামর্শ দেওয়ার জন্য কিংবা পর্যালোচনা করার জন্য বাংলাদেশে কোনো লোক নেই? স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়েছে, দেশে এতগুলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আছে, এগুলো তাহলে কী কারণে আছে, জনগণের অর্থ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চলছে কী কারণে?”

বিদেশিদের বন্দরের দায়িত্ব দিলে মাশুলের সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১২ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে- খোঁজখবর নিয়ে হিসাব করে এমন চিত্র পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ বলেন, অন্যান্য আরও কত ধরনের চিত্র আছে, তা আমরা জানি না৷ এখন পর্যন্ত সরকার বলছে এটা জানানো যাবে না৷ যে আইনের বলে তারা এটা বলছে, সেই আইনটা পরিবর্তন করাই এই সরকারের দায়িত্ব ছিল৷ আওয়ামী লীগ আমলে অনেক দুর্নীতি হয়েছে, অনেক রকম অন্যায়-অবিচার, অস্বচ্ছতা হয়েছে৷ আওয়ামী লীগ আমলে যে কোম্পানিকে টেন্ডার ছাড়া বন্দর দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেই কোম্পানির কাছে এই সরকার তড়িঘড়ি করে কেন দিতে চায়? এর পেছনে কী ব্যাখ্যা, কী যুক্তি? আওয়ামী লীগের অসমাপ্ত কাজটা সমাপ্ত করার জন্য এই সরকার কেন মরিয়া? যেকোনো বিনিয়োগ হলেই উন্নয়ন হবে, এটা ঠিক নয়৷ আফ্রিকা মহাদেশে বিপুল বিদেশি বিনিয়োগ আছে, কিন্তু আফ্রিকা সবচেয়ে দরিদ্র মহাদেশ৷ বিনিয়োগটা কোন খাতে হচ্ছে, কী কারণে হচ্ছে, কোন শর্তে হচ্ছে, কী লক্ষ্যে হচ্ছে, সেটার উপরে নির্ভর করে এটা কি উন্নয়ন করবে, নাকি বিপর্যয় সৃষ্টি করবে; জাতীয় সক্ষমতা বাড়াবে, নাকি ক্ষয় করবে?”

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, ডেনমার্কের কোম্পানিকে বন্দর ইজারা দিয়ে তিন বছরে ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ আনার কথা বলা হচ্ছে৷ এর মাধ্যমে বন্দর আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে কিংবা বন্দরে ভূরাজনৈতিক বিভিন্ন ধরনের বিপদের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে৷ যে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের ৯০ শতাংশ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয় এবং এটা যে জায়গায় অবস্থিত, বিভিন্ন দিক থেকে কৌশলগতভাবে তার একটা গুরুত্ব আছে৷ সেই বন্দরটা সম্পূর্ণ অস্বচ্ছ, গোপনীয় চুক্তির বলে একটা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া হচ্ছে৷ অভিযোগ করা হচ্ছে দুর্নীতি হয় বন্দরে৷ এটা খুবই ভয়ঙ্কর অভিযোগ৷ সেটা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচারও করা হচ্ছে৷ এই সরকারের দায়িত্ব ছিল দুর্নীতিটা কোথায় হয়, কীভাবে হয়, কারা দুর্নীতিবাজ, সেটা বের করা এবং দুর্নীতি দূর করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সেটা বের করা৷ সেদিকে এই সরকার না গিয়ে ওই দুর্নীতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে তারা এটা পুরোপুরি বিদেশি কোম্পানিকে দিতে চাচ্ছে৷ প্রচার করা হচ্ছে, এই বিদেশি বিনিয়োগ কিংবা বিদেশি কোম্পানি যদি আসে, তাহলে দুর্নীতি চলে যাবে৷ এটার কোনো সত্যতা নেই৷ জাতীয় সক্ষমতার বিকাশ ছাড়া পুঁজিবাদের বিকাশও সম্ভব নয়৷ বাংলাদেশে পুঁজিবাদের পক্ষে যারা প্রচারক, তারা এতই কূপমণ্ডুক, তাদের তথ্যভান্ডার এত দুর্বল এবং তারা এতই অন্ধ যে একটা বিষাক্ত জিনিসকে সুস্বাদু কিংবা স্বাস্থ্যকর জিনিস হিসেবে উপস্থাপন করার বিজ্ঞাপনের ধরনের মধ্যে আছেন৷ একটা ভয়ংকর রকম অপপ্রচার এবং জনস্বার্থবিরোধী তৎপরতা চলছে”।

জাতীয় স্বার্থবিরোধী এই তৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে সরব হওয়ার জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানান আনু মুহাম্মদ৷

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “২০১৫ সালের পিপিপি আইনের যে ধারাকে আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল, সেটাই অন্তর্বর্তী সরকারও ব্যবহার করেছে৷ সেটি হলো ৩৪ ধারা৷ সেখানে বলা হয়েছিল, কোনো চুক্তি হওয়ার আগে গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে৷ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের অনেক আইন এই সরকার বাতিল করেছে৷ কিন্তু পিপিআর আইনটি বাতিল বা সংশোধনে কী অসুবিধা ছিল? চুক্তি হয়ে যাওয়ার পরে সেটা দেখাতে কী সমস্যা? আইনে তো পরে চুক্তি প্রকাশে বাধা নেই৷আওয়ামী লীগ আমলে শাসকদের বডি ল্যাংগুয়েজ আর এখন যারা আছেন, তাদের ভাষা একই৷ দুর্নীতির প্রক্রিয়া ফ্যাসিস্ট সরকার বা অরাজনৈতিক সরকার যে-ই থাকুক, তা চলতেই থাকে৷ যে দুটো চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশ না করার কথা বললে ধরে নিতে হবে এমন জনস্বার্থবিরোধী কিছু হচ্ছে, যা আওয়ামী লীগের সময়ও হতো”।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের বন্দরের যে সক্ষমতা আছে, সেটাও পুরোপুরি ব্যবহার হচ্ছে না৷ বিদেশি কোম্পানিকে দিলেই যে ব্যবস্থাপনা বদলে যাবে, এমন নয়৷ ব্যবহারের এস্টিমেশন আমাদের দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী করা হয় না৷ জাতীয় সক্ষমতা ও প্রয়োজন, কার দন্য বন্দর নির্মাণ ও টার্মিনাল যুক্ত করা হচ্ছে, সেটা বুঝতে হবে৷ সক্ষমতা বাড়লে কাজে লাগবে কি না, সেটা দেখতে হবে৷ অব্যবহত পড়ে থাকলে এর খরচ জনগণকে বহন করবে কি না, সেটাও বলা হচ্ছে না৷ অনেক অপরিকল্পিত প্রকল্প অতীতে নেওয়া বয়েছে, যেখানে ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, কাঁচামালের প্রাপ্যতা ও বিদ্যুতের সরবরাহ বিবেচনায় না নিয়ে অপচয় করা হয়েছে”।

তিনি মনে করেন যে, বন্দর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে৷ “সরকারের সেই জবাবদিহি কোথায়? চুক্তির বিষয়ে তথ্যই দেওয়া হচ্ছে না৷ চুক্তির শর্তে কী আছে, আমাদের জানতে হবে৷ বন্দর অব্যবহৃত থাকলে কী হবে? বন্দর উন্মুক্ত করে দিতে গিয়ে কাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তাও পরিষ্কার নয়৷ তিন পর্যায়ের পাঁচজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, দুর্নীতি হয় চুক্তির সময়৷ এটা শুরু হয় কাস্টমস থেকে৷ কনটেইনারের জটলা তৈরি করে দুর্নীতির ক্ষেত্র তৈরি করা হয়৷ দুর্নীতি যারা করছে, তারা চুক্তিগুলোর সঙ্গে জড়িত৷ দুর্নীতিকে অজুহাত হিসেবে যারা দেখাচ্ছে, তারা দুর্নীতি বন্ধ চায় না৷ সব ব্যবস্থাপনা এক রেখে কিছু অ্যাক্টর পরিবর্তন হলে ব্যবস্থা পরিবর্তন হবে না৷ নতুন প্রতিষ্ঠান এনে দিলেই ব্যবস্থাপনা ভালো হয়ে যাবে না৷ দুর্নীতি কীভাবে ঘটে, কেন ধরে শাস্তি দিতে পারছেন না, নতুন প্রতিষ্ঠান কীভাবে দুর্নীতি প্রতিরোধ করবে- সেই জবাব সরকারের কাছে চাই৷”

মোশাহিদা সুলতানা আরও বলেন, “৩০ বছরের জন্য আমরা জিম্মি হয়ে গেলাম৷ তড়িঘড়ি করে যারা কাজটা করল, তাদের ভবিষ্যতে দায় নিতে হবে৷ বন্দরে নতুন টার্মিনাল করা যেতো৷ সরকার নিজে দায়িত্ব নিয়ে কাজটা করতে পারতো, প্রয়োজনে বিদেশি কনসাল্টেন্ট নিয়োগ করতে পারতো৷ যেটা করা হলো, এটা একটা চক্রান্ত৷ আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়তে দেওয়া হচ্ছে না৷ বিদেশি কোম্পানিকে দিয়ে দিলেই সমাধান হবে, তা আমি মনে করি না৷ আগের মতো বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়েছি, বন্দরের সক্ষমতা বাড়িয়ে খরচ দিতে জনগণ রাজি নয়৷”

আরো..