https://www.a1news24.com
২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৪৪

নতুন প্রেসিডেন্ট নির্ধারণে ভোটগ্রহণ চলছে ইন্দোনেশিয়ায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। দেশটিতে ৮ লাখের বেশি কেন্দ্রে আজ ভোট নেয়া হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে ৫৭ লাখের বেশি ব্যক্তি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছেন। ছয় ঘণ্টা ধরে ভোট গ্রহণ চলবে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দেশটির ভোটাররা আজ প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট, ৫৮০ জন পার্লামেন্ট সদস্য, ২০ হাজারের বেশি আঞ্চলিক আইনপ্রণেতাও নির্বাচন করবেন। এসব নির্বাচনে লড়ছেন প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার প্রার্থী। ভোট উপলক্ষে ২৮ কোটি জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে জরিপে এগিয়ে আছেন বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রাবোও সুবিয়ান্তো। তবে সুবিয়ান্তোর মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে উদ্বেগ আছে। এক প্রজন্ম আগে সুহার্তোর স্বৈরশাসনের সময় সামরিকপ্রধান ছিলেন সুবিয়ান্তো। একাধিক জরিপ বলছে, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারেন সুবিয়ান্তো। তিনি জনপ্রিয় বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন।

ইন্দোনেশিয়ার স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন দেশটির দুই মেয়াদের প্রেসিডেন্ট উইদোদো। দেশটির সাংবিধানিক বিধান হলো, একজন ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট থাকতে পারবেন না। এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে উইদোদো আর প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন করতে পারছেন না।

সুবিয়ান্তো সপ্তাহান্তের এক নির্বাচনী সমাবেশে তার সমর্থকদের বলেছিলেন, ‘আমরা ইন্দোনেশিয়ার সব মানুষের সমৃদ্ধির জন্য লড়াই করব। আগের প্রেসিডেন্টরা ইতিমধ্যে যা করেছেন, তা আমরা চালিয়ে যাব।’ নির্বাচনে সুবিয়ান্তোর প্রতিপক্ষ জাকার্তার সাবেক গভর্নর অ্যানিস বাসওয়েদান ও মধ্য জাভার সাবেক গভর্নর গাঞ্জার প্রানোও।

১৯৯৮ সালে সুহার্তোর একনায়কত্বের অবসানের পর দেশটিতে পঞ্চমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রায় ২০ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ভোট দেয়ার যোগ্য। আজকের নির্বাচনের মাধ্যমে সরাসরি প্রেসিডেন্ট হতে সুবিয়ান্তোকে মোট ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি পেতে হবে। পাশাপাশি তাকে দেশটির ৩৮ প্রদেশের অর্ধেকের বেশি স্থানে অন্তত এক-পঞ্চমাংশ ভোট পেতে হবে। এই শর্ত পূরণ না হলে শীর্ষ দুই প্রার্থীকে নিয়ে আগামী জুন মাসে দ্বিতীয় দফার ভোট হবে।

আরো..