https://www.a1news24.com
৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:১৯

কোনো ব্যক্তি বক্তব্যে নির্বাচন বন্ধ হবে না ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না: অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কারো ব্যক্তিগত মত বা কোনো দলের কথায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।বুধবার (১৩ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ‘ইউ পেনশন অ্যাপ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উপযুক্ত লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, ‘কেউ কিছু বললেই নির্বাচন থেমে যাবে না।নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে।

নির্বাচন মানেই কালোটাকার ছড়াছড়ি। বিশেষ প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার কালো টাকার ব্যবহার বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেবে কি না এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘এ জন্য কালো টাকার উৎস বন্ধ করতে হবে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এটি নিশ্চিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ও সহায়তা করবে। তবে এ জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন প্রয়োজন।’সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই স্কিমে এখনো চাকরিজীবী, শিক্ষকসহ অনেক পেশার মানুষ অংশ নিচ্ছেন না।এটা কেন হচ্ছে এবং মানুষের আগ্রহ না থাকার কারণগুলো অনুসন্ধান করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্কিমে যদি কোনো ভুল বা সমস্যা থাকে, তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকদের এই পেনশন স্কিমের আওতায় আনতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি সর্বজনীন পেনশন সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা জোরদার করার কথা বলেন তিনি।’

আগামী নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবে না বলে জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কোর্টের স্টে অর্ডার নিয়ে। মহিউদ্দিন খান আলমগীর তো ঋণখেলাপি অবস্থায় পাঁচ বছর কাটিয়ে দিয়েছিলেন।

আগামী নির্বাচনে কালো টাকা রোধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কালো টাকার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় হচ্ছে উৎস আর প্রসেস। উৎসটা কিন্তু আগের চেয়ে মোটামুটি বন্ধ হয়েছে। আগে তো ব্যাংকের মালিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক, নিউজ পেপারের মালিক, ফ্লাটের মালিক সব একজনই। কিন্তু এখন এটা হচ্ছে না। মোটামুটি এখন একটু চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর। রাজনীতিবিদরা যদি উৎসাহ দেন যে টাকা-পয়সা দিয়ে নমিনেশন দেবেন, ভোট দেবেন, তাহলে আমি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কিছুই করতে পারব না।

আরো..