অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানে এবারের নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তাই জোট গড়েই সরকারে আসতে হবে দলগুলোকে। তাই এবার সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন।রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে পিটিআই নেতারা কেন্দ্র, পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরকার গঠনের বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক রওফ হাসান বলেন, ‘‘ইমরান খান দুই দলের সঙ্গে জোটের অনুমোদন দিয়েছেন। আমরা কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে এমডব্লিউএমের সাথে জোট গঠন করব এবং সংরক্ষিত আসনের জন্য খাইবার পাখতুনখোয়ায় জামায়াতে-ই-ইসলামির (জেআই) সাথে জোট গড়ব।’’
যদিও এর আগে দেশটির আরেক রাজনৈতিক দল মজলিস ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিনের (এমডব্লিউএম) সাথে কেন্দ্রে এবং পাঞ্জাব প্রদেশে জোট গঠন করার ঘোষণা দিয়েছে পিটিআই। কিন্তু এই ঘোষণার পর দলের কিছু সদস্য এমডব্লিউএমের সাথে জোট গড়ার বিরোধিতা করেন।
পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান গহর খানের দাবি, তার দল প্রকৃতপক্ষে জাতীয় পরিষদে ১৮০ আসনে জয়ী হয়েছে। আর পাঞ্জাবে ১১৫, সিন্ধুতে ১৬, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ৪২ ও বেলুচিস্তানে ৪ আসনে জয়ী হয়েছে পিটিআই।
এদিকে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (পিএমএল-এন) জানিয়েছে, আজ সোমবার বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপির সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে বড় অগ্রগতি হতে পারে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রথম, পিএমএল-এন দ্বিতীয় ও পিপিপি তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। তবে কোনো কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে জোট গঠন করে সরকার আসার চেষ্টা করছে বড় দলগুলো।