সিলেট জেলা এনসিপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাওসার হোসেনের বিরুদ্ধে জোড়া মামলার রায় ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬ ইং। সিলেট যুগ্ম মহানগর কোর্ট এ মামলার রায় প্রদান করবেন। চেক ডিজঅনার ও প্রতারণার অভিযোগে ২০২৩ সালে তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো করেন নগরীর মেজরটিলা এলাকার ব্রিটিশ প্রবাসী আলাওর রহমান। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত মামলার রায়ের তারিখ ৫ জানুয়ারী, ২০২৬ ইংরেজি নির্ধারণ করলেও কাওসারের সময়ের বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সময় বাড়িয়ে ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬ ইংরেজি নির্ধারণ করেন।
গোলাপগঞ্জের টিকরবাড়ী গ্রামের মৃত আওলাদ হোসেনের ছেলে কাওসার হোসেন উরফে সেলিম হাসান কাওসার নগরীর মেজরটিলার ব্রিটিশ প্রবাসী আলাওর রহমানের ভাতিজাকে সৌদি আরব প্রেরণের জন্য ৫ লক্ষ টাকার চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক তিনি নগদ ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে আলাওর রহমানের ভাতিজাকে সৌদি আরব পাঠাতে না পারলে আলাওর রহমান কাওসারের বিরুদ্ধে সিলেট অতিরিক্ত চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে আদালত কোতয়ালী থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। কোতয়ালী থানা পুলিশ তদন্ত শেষে মামলার সত্যতা পেলে আদালত কাওসারকে অভিযুক্ত করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। মামলা নং- ৯৫৯/২৩
এদিকে কাওসার হোসেন আলাওর রহমানের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে নগদে ঋণ বাবত আরো ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। আলাওর রহমান সিলেট মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে কাওসার হোসেনের বিরুদ্ধে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক ডিজঅনার মামলা করেন। মামলা নং- ৩৬৬/২৩। উভয় মামলার দীর্ঘ শুনানী শেেেষ ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬ ইং মামলা দ্বয়ের রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।
উল্লেখ্য, কাওসার হোসেনের বিরুদ্ধে সিলেটের বিভিন্ন থানায় অতীতে ১৫টির বেশি মামলা হয়েছে। বলৎকার, মোটর সাইকেল চুরি, ধর্ষণ, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা হয়েছে। গোলাপগঞ্জ থানার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলার অভিযোগে ২টি মামলার সে পলাতক আসামী। সে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গোলাপগঞ্জ উপজেলা বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর নিজেকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী পরিচয় দিলেও জামায়াতে ইসলামীতে সুবিধা করতে না পেরে সে কৌশলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র সিলেট জেলা কমিটির গত ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ইং তারিখে ঘোষিত কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ ভাগিয়ে নেয়। বিজ্ঞপ্তি