https://www.a1news24.com
১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১:২৭

আইনজীবী সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ

পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধিঃপাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন সালেহা বেগম নামে এক নারী। জায়গা জমি ও মৎস্য লীজ ঘেরের বিরোধ কে কেন্দ্র করে আইনজীবী দেবরের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছেন বিধবা ভাবি সালেহা বেগম। সালেহা বেগম উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের ভ্যাকটমারী গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমান গাজীর স্ত্রী। তিনি পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন আমার শশুরের সর্বসাকুল্যে ১০/১২ বিঘা জমি ছিল। তৎকালীন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট জিএ সবুরের সহযোগিতায় আমার স্বামী মতিয়ার রহমান একক নিজের প্রচেষ্টায় তার ৪ ভাই কে প্রতিষ্ঠিত, ভাই এবং ভাইপোদের উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত করা এবং তাদের নামে জায়গা জমি করেছেন। এদের মধ্যে আমার স্বামীর সবচেয়ে আস্থাভাজন এবং প্রিয় ছিল ছোট ভাই সাত্তার। যাকে লেখাপড়া থেকে শুরু করে বারবার আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত করা সহ সকল ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আমার স্বামী মতিয়ার রহমান। পরিতাপের বিষয় অর্থ এবং চিকিৎসার অভাবে আমার স্বামী ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন। এ ব্যাপারে দেবর জিএম আব্দুস সাত্তার কোন সহযোগিতা করেনি। বর্তমানে আমার ৬ টি কন্যা এবং দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে।স্বামীর মৃত্যুর পর আমার এবং আমার সন্তানদের বঞ্চিত করে জিএম আব্দুস সাত্তার ভাই মুজিবর রহমান কে সাথে নিয়ে স্বামীর অর্জিত সম্পদ, জমাজমি, মাগুরা দেলুটি মৌজার ৫৫০ বিঘার লীজ ঘের এবং চারবান্দা মৌজার ৫০০ বিঘার চিংড়ি ঘের সবকিছু তারা পকেটস্থ করেছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মৎস্য লীজ ঘেরের আয় ব্যায়ের হিসাব চাইলে সাত্তার ও মুজিবর মাগুরা দেলুটি মৌজার সাড়ে ৫’শ বিঘার চিংড়ি ঘের নিয়ে ছেলে মুনির হোসেন রাজা সহ আমার পরিবার এবং আত্মীয় স্বজনকে বিবাদী করে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ২৩৩/২০২৫ নং নিষেধাজ্ঞা মামলা করে। ২৮-০৭-২৫ মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আদেশ করান। এমন অবস্থায় থানা পুলিশ আমাদের কে থানায় ডাকলে আমরা থানায় গেলেও সাত্তার থানায় হাজির হয়নি। থানা থেকে ফিরে আমরা সন্ধ্যার আদালত সংলগ্ন চেম্বারে গিয়ে সাত্তারের নিকট আমাদের কেন হয়রানি করা হচ্ছে জানতে চাই। তখন সাত্তার ও তার লোকজন আমাদের উপর হামলা করলে আমরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করি। এরপর সাত্তার থানা পুলিশ ডেকে আমার ছেলে, জামাই সহ ৪জন কে পুলিশে ধরিয়ে দেয় এবং আমাদের বিরুদ্ধে থানায় হয়রানিমূলক মামলা করে। যার নং ২০, তারিখ ৩০-০৭-২৫। ঘরবাড়ি ছেড়ে এখন আমি এবং আমার পরিবার পথে পথে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। এসব কারণে এলাকাবাসী এবং দলীয় লোকজন তার উপর চরমভাবে ক্ষুব্ধ। এব্যাপারে সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নারী সালেহা ও তার পরিবার। এপ্রসঙ্গে আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার তাদের কোন জমাজমি আমাদের অনুকূলে নেই। মৎস্য লীজ ঘের সহ যেখানে তাদের যে প্রাপ্য রয়েছে তারা তাদের প্রাপ্য অংশ ভোগদখল করছে এবং অহেতুক আমার উপর হামলা করে আমাকে শারীরিক এবং সামাজিক ভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এখানে হয়রানি করার কিছু নাই বলে তিনি জানান।

আরো..