https://www.a1news24.com
১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:২৪

অ্যালার্জি নাকি ঠান্ডা-কাশি, বোঝার উপায় ও প্রতিকার

নিউজ ডেস্ক: দু-চারবার হাঁচি দেয়া কিংবা নাক টানা স্বাভাবিক হলেও এর সঙ্গে যদি শরীর চুলকানি থাকে, তাহলেই বিপদ। হতে পারে অ্যালার্জির কারণে এমনটা হচ্ছে। অনেক সময় ধুলাবালি, ছত্রাক, স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ বা ঠান্ডা আবহাওয়াজনিত কারণে অ্যালার্জির সমস্যা হয়ে থাকে। এ কারণে নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো সমস্যা ছাড়াও ছোট ছোট বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে।

তবে কিছু পরিস্থিতিতে একদমই বোঝা যায় না, সর্দি লেগেছে নাকি অ্যালার্জির কারণে সমস্যা হচ্ছে। সম্প্রতি এ ব্যাপারে সিএনএন’র সঙ্গে কথা বলেছেন বাল্টিমোর’য়ের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা মার্কিন চিকিৎসক ডা. লিয়ানা ওয়েন। এ চিকিৎসক বলেন, ঠান্ডা-কাশি ও অ্যালার্জির সমস্যায় একই ধরনের লক্ষণ হয়ে থাকে। নাক বন্ধ বা আটকে যাওয়া বা পানি পড়া, হাঁচি দেয়া, কাশি কিংবা নাক, গলা ও মুখ চুলকিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, অ্যালার্জি সংক্রান্ত সমস্যায় সাধারণত জ্বর আসে না। তবে ঠান্ডা লাগলে জ্বর হয়। এর অর্থ, ভাইরাস সংক্রমণের কারণে জ্বর হয়।

অ্যালার্জি হওয়ার কারণ: ডা. লিয়ানা বলেন, ‘ডাস্ট মাইটস’ বা অতি ক্ষুদ্র পরজীবী কীট বাসা-বাড়ির ধুলাবালি ও বাতাসের আর্দ্রতা খেয়ে বেঁচে থাকে। এই পরজীবী কীটের সংস্পর্শে আসার ফলে অনেকেরই ধুলাবালি থেকে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। আবার ফুলের রেণুর সংস্পর্শেও অনেক সময় চুলকানি বা নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো সমস্যা হয়ে থাকে।

খাবারের মধ্যে রয়েছে ল্যাকটোজ। যা অনেকের সহ্য হয় না। এই ধরনের সমস্যার লক্ষণের মধ্যে গ্যাস হওয়া, পেট ফাঁপা ও ফোলাভাব রয়েছে। তবে প্রায় সময়ই দেখা যায় ব্যক্তিভেদে অ্যালার্জির স্থায়িত্বের প্রভাব ভিন্নরকম হয়ে থাকে। অনেক সময় কারও অল্প সময়ে ঠিক হয়, আবার কারও ঠিক হতে সপ্তাহখানেক সময় লেগে যায়। যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি ও একজিমার সমস্যা রয়েছে, তাদের অ্যালার্জি থাকলে অবস্থা আরও খারাপ হয়।

চিকিৎসা: অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ গ্রহণ ভালো কার্যকর। অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিঃসরণ করে হিস্টামিন রাসায়নিক। ফলে চুলকানি ও নাকে অস্বস্তির মতো সমস্যা সৃষ্টি হয়। আর অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ হিস্টামিন নিঃসরণ বন্ধ করে।

এ ধরনের ওষুধ ফার্মেসির দোকান থেকে কোনো ধরনের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কেনা যায়। তবে যাদের সমস্যা গুরুতর, তারা বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে পারেন। এছাড়া সতর্কতা হিসেবে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঝিমানির সৃষ্টি করে। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঘুম আসে না এমন ওষুধ গ্রহণ করা ভালো উপায় বলেও জানিয়েছেন এ মার্কিন চিকিৎসক।

আরো..